শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা; সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত গুইমারা-মানিকছড়িতে

সম্প্রীতির পাহাড়ে ঈদের আনন্দ: ১৩০ পরিবারকে সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদ উপহার

পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় জনপদে বিজু, বৈসাবি ও সাংগ্রাইয়ের মতো উৎসবের আমেজের মাঝেই আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে রাঙিয়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়ি জোনের (গুইমারা ও মানিকছড়ি এলাকা) পক্ষ থেকে বুধবার ১৩০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের ধারাকে সমুন্নত রাখতে মাসিক মানবতা ও সমাজকল্যাণ কর্মসূচির আওতায় এই উপহার প্রদান করা হয়। উপহারের তালিকায় ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং নতুন পোশাক হিসেবে শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গম জনপদে এই উপহার পৌঁছে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

শুধু ঈদ উপহারই নয়, জোন সদর দপ্তর থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও বড় ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন একটি মন্দিরে আয়োজিত মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানের জন্য ৫,০০০ টাকা নগদ অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য নগদ ৫,০০০ টাকা ও ঢেউ টিন এবং এলাকার অন্যান্য হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে নগদ ২৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

অত্র এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়নে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৩০,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে উৎসাহিত করতে ৫টি স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়, যা স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই তাদের মূল লক্ষ্য। বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও মুসলিম—সকল ধর্মের মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতেই এই প্রচেষ্টা। বিজু বা ঈদ, প্রতিটি উৎসবই যেন সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে, সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।
স্থানীয় সুধী মহলের মতে, সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক সহায়তা; সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত গুইমারা-মানিকছড়িতে

সম্প্রীতির পাহাড়ে ঈদের আনন্দ: ১৩০ পরিবারকে সিন্দুকছড়ি জোনের ঈদ উপহার

প্রকাশিত: ০২:২২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় জনপদে বিজু, বৈসাবি ও সাংগ্রাইয়ের মতো উৎসবের আমেজের মাঝেই আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে রাঙিয়ে তুলতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়ির সিন্দুকছড়ি জোনের (গুইমারা ও মানিকছড়ি এলাকা) পক্ষ থেকে বুধবার ১৩০টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও উৎসবের ধারাকে সমুন্নত রাখতে মাসিক মানবতা ও সমাজকল্যাণ কর্মসূচির আওতায় এই উপহার প্রদান করা হয়। উপহারের তালিকায় ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী এবং নতুন পোশাক হিসেবে শাড়ি, লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গম জনপদে এই উপহার পৌঁছে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।

শুধু ঈদ উপহারই নয়, জোন সদর দপ্তর থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও বড় ধরনের সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিন একটি মন্দিরে আয়োজিত মহাযজ্ঞ অনুষ্ঠানের জন্য ৫,০০০ টাকা নগদ অনুদান প্রদান করা হয়। এছাড়া অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দুটি পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য নগদ ৫,০০০ টাকা ও ঢেউ টিন এবং এলাকার অন্যান্য হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে নগদ ২৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

অত্র এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়নে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ৩০,০০০ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রান্তিক কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদে উৎসাহিত করতে ৫টি স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়, যা স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিন্দুকছড়ি জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাহাড়ের প্রতিটি মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই তাদের মূল লক্ষ্য। বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও মুসলিম—সকল ধর্মের মানুষের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতেই এই প্রচেষ্টা। বিজু বা ঈদ, প্রতিটি উৎসবই যেন সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আসে, সেই লক্ষ্যেই সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে।
স্থানীয় সুধী মহলের মতে, সেনাবাহিনীর এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।