জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক অর্জনকে স্মরণ এবং আন্দোলনকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় রাঙামাটি বায়তুশ শরফ আদর্শ জব্বারিয় আলিম মাদ্রাসায় যথাযোগ্য মর্যাদায় অনুষ্ঠিত হলো আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল।
সোমবার (২৮ জুলাই ২০২৬) মাদ্রাসা মিলনায়তনে আয়োজিত এই শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার সুযোগ্য অধ্যক্ষ মাওলানা সামশুল আরিফিন।
জুলাই চেতনা বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশের আলো দেখিয়েছে
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ খুঁজে পেয়েছে। ছাত্র-জনতার অসামান্য ত্যাগের বিনিময়ে এ দেশের মানুষ আজ তাদের হারিয়ে যাওয়া গণতান্ত্রিক অধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলন কীভাবে সাধারণ মানুষের সমর্থন পেয়ে অন্যায় ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এক বিশাল গণ-আন্দোলনে রূপ নেয় এবং একটি পৈশাচিক শাসনামলের পতন ঘটায়।
অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বার্তা সভায় বক্তারা তরুণদের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই চেতনা’ ধারণ করার জোর আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীন চিন্তাধারা ও ন্যায়বিচার বজায় রাখতে হলে নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: চৌধুরী হারুনুর রশীদ — সিনিয়র সাংবাদিক। মাওলানা আবুল কাশেম — উপাধ্যক্ষ, রাঙামাটি বায়তুশ শরফ আদর্শ জব্বারিয় আলিম মাদ্রাসা। মাওলানা সাইদুর রহমান — সুপার, বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স।
আলোচনা পর্ব শেষে জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে এক আবেগঘন বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।



















