দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদে মাছের বংশবিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন।

কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নামছে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা ২৪ এপ্রিল রাত থেকেই কার্যকর

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে আগামী তিন মাসের জন্য সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধ হতে যাচ্ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন করতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এই জরুরী আদেশ জারি করা হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এই আদেশ বলবৎ থাকবে আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত। এই দীর্ঘ সময়ে হ্রদে মাছ ধরা, বিপণন এবং পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসনের জারি করা আদেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন-হ্রদে কোনো ধরনের মৎস্য আহরণ করা যাবে না।মাছ শুকানো (শুঁটকি তৈরি) বা সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মাছ পরিবহন বা বাজারজাতকরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হ্রদের টহল জোরদার করতে নৌ-পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম হ্রদে মাছের বংশবিস্তার ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন।

কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারে নামছে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা ২৪ এপ্রিল রাত থেকেই কার্যকর

প্রকাশিত: ০৬:৩৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ কৃত্রিম জলাধার রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে আগামী তিন মাসের জন্য সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধ হতে যাচ্ছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তার নির্বিঘ্ন করতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে এই জরুরী আদেশ জারি করা হয়েছে।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৪ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টা থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। এই আদেশ বলবৎ থাকবে আগামী ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত। এই দীর্ঘ সময়ে হ্রদে মাছ ধরা, বিপণন এবং পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

জেলা প্রশাসনের জারি করা আদেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন-হ্রদে কোনো ধরনের মৎস্য আহরণ করা যাবে না।মাছ শুকানো (শুঁটকি তৈরি) বা সংরক্ষণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।এক স্থান থেকে অন্য স্থানে মাছ পরিবহন বা বাজারজাতকরণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। হ্রদের টহল জোরদার করতে নৌ-পুলিশ এবং মৎস্য বিভাগ সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাবে।