শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে পাহাড়ী সম্প্রদায়ের পাশে লক্ষীছড়ি জোন

লক্ষীছড়িতে বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব উপলক্ষে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহযোগিতা

প্রকাশিত: ১১:০৬:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ী জনগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব ‘মহা বিজু, সাংগ্রাই ও বৈশাখী’ ২০২৬ উপলক্ষে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে স্থানীয় পাহাড়ী সম্প্রদায়কে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ লক্ষীছড়ি জোন কর্তৃক এই মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।লক্ষীছড়ি জোন সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন আয়োজক কমিটির হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মোঃ তাজুল ইসলাম, পিএসসি, জি।

জানা গেছে, লক্ষীছড়ি, বার্মাছড়ি ও দুল্যাতলী এলাকার বিভিন্ন পূজা ও উৎসব উদযাপন কমিটিকে তাদের বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে এই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জোন কমান্ডার বলেন, বিজু ও সাংগ্রাই উৎসব পাহাড়ের মানুষের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। সেনাবাহিনী সবসময় পাহাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই উৎসবের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করতে এবং স্থানীয়দের সাথে সেনাবাহিনীর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের সহযোগিতা সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি এ ধরনের জনকল্যাণমূলক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরও জোরালোভাবে অব্যাহত থাকবে।