শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
দুশ্চিন্তায় ৬৩ হাজার প্রধান শিক্ষক ও লাখো শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ধোঁয়াশা, ৫ মাস পিছিয়ে হতেযাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা

দেশের প্রায় ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বৃত্তি পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আকস্মিক পরিবর্তনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাধারণত শিক্ষাবর্ষ শেষে ডিসেম্বর মাসেই পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, ডিসেম্বরের পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় ধরে একই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার প্রস্তুতি নেবে, নাকি বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পুরনো পড়া পুনরায় অনুশীলন করবে—এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মতে, এই পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের বিষয় নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদার সঙ্গেও এটি জড়িত। পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার দুর্গম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ বিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনায় অনীহা বা ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

শিক্ষকদের মতে, নতুন সিদ্ধান্তে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেশন জট, যেখানে নতুন শ্রেণিতে ভর্তির পর পুরনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ বিরতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলতে পারে। অন্যদিকে বৃত্তি ও পাশের হার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামের সঙ্গে জড়িত থাকায় শিক্ষকরাও বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রস্তুতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

দুশ্চিন্তায় ৬৩ হাজার প্রধান শিক্ষক ও লাখো শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ধোঁয়াশা, ৫ মাস পিছিয়ে হতেযাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা

প্রকাশিত: ০৪:৫৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের প্রায় ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বৃত্তি পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আকস্মিক পরিবর্তনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাধারণত শিক্ষাবর্ষ শেষে ডিসেম্বর মাসেই পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, ডিসেম্বরের পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় ধরে একই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার প্রস্তুতি নেবে, নাকি বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পুরনো পড়া পুনরায় অনুশীলন করবে—এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মতে, এই পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের বিষয় নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদার সঙ্গেও এটি জড়িত। পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার দুর্গম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ বিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনায় অনীহা বা ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

শিক্ষকদের মতে, নতুন সিদ্ধান্তে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেশন জট, যেখানে নতুন শ্রেণিতে ভর্তির পর পুরনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ বিরতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলতে পারে। অন্যদিকে বৃত্তি ও পাশের হার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামের সঙ্গে জড়িত থাকায় শিক্ষকরাও বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রস্তুতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।