শিরোনামঃ
Logo মাইসছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈসাবি মেলা সম্পন্ন সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা জোন অধিনায়কের Logo রাঙামাটিতে ছাত্রদলের উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড পুড়ে ছাই আসবাবপত্র ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র Logo রাঙ্গামাটিতে এডিসি কলোনী মাদ্রাসার সামনে ময়লার ভাগাড় দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা Logo লংগদু-নানিয়ারচর সংযোগ সড়ক ১৩ কিলোমিটারের দুর্ভোগে জিম্মি দুই লাখ মানুষের ভাগ্য Logo বাঘাইছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে অলিম্পিক বার ফুটবল টুর্নামেন্টের জমজমাট ফাইনাল সম্পন্ন Logo রামগড়ে আদর্শিক রাজনীতির ধ্রুবতারা সাইফুল ইসলাম ত্যাগ ও সাহসিকতার এক অনন্য উপাখ্যান Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের নেতৃত্বে বড় রদবদল রাঙামাটি জেলাসহ একাধিক কমিটি বিলুপ্ত, নতুন ঘোষণা Logo খাগড়াছড়িতে অসহায়দের মাঝে ছাগল বিতরণ করলেন পাজেপ সদস্য মাহবুব আলম Logo রক্তপাত ও চাঁদাবাজি বন্ধের ডাক পাহাড়ে শান্তির নতুন রোডম্যাপ চায় সিএইচটি সম্প্রীতি জোট
দুশ্চিন্তায় ৬৩ হাজার প্রধান শিক্ষক ও লাখো শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ধোঁয়াশা, ৫ মাস পিছিয়ে হতেযাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা

দেশের প্রায় ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বৃত্তি পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আকস্মিক পরিবর্তনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাধারণত শিক্ষাবর্ষ শেষে ডিসেম্বর মাসেই পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, ডিসেম্বরের পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় ধরে একই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার প্রস্তুতি নেবে, নাকি বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পুরনো পড়া পুনরায় অনুশীলন করবে—এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মতে, এই পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের বিষয় নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদার সঙ্গেও এটি জড়িত। পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার দুর্গম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ বিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনায় অনীহা বা ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

শিক্ষকদের মতে, নতুন সিদ্ধান্তে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেশন জট, যেখানে নতুন শ্রেণিতে ভর্তির পর পুরনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ বিরতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলতে পারে। অন্যদিকে বৃত্তি ও পাশের হার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামের সঙ্গে জড়িত থাকায় শিক্ষকরাও বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রস্তুতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মাইসছড়িতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৈসাবি মেলা সম্পন্ন সম্প্রীতির বন্ধন সুদৃঢ় করার বার্তা জোন অধিনায়কের

দুশ্চিন্তায় ৬৩ হাজার প্রধান শিক্ষক ও লাখো শিক্ষার্থী

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে ধোঁয়াশা, ৫ মাস পিছিয়ে হতেযাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা

প্রকাশিত: ০৪:৫৯:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশের প্রায় ৬৩ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বৃত্তি পরীক্ষার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পরিবর্তে পরীক্ষাটি ২০২৬ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই আকস্মিক পরিবর্তনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সাধারণত শিক্ষাবর্ষ শেষে ডিসেম্বর মাসেই পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এবার প্রায় পাঁচ মাস পিছিয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার একাধিক প্রধান শিক্ষক জানান, ডিসেম্বরের পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়া হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সময় ধরে একই পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। এ সময় শিক্ষার্থীরা পরবর্তী ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার প্রস্তুতি নেবে, নাকি বৃত্তি পরীক্ষার জন্য পুরনো পড়া পুনরায় অনুশীলন করবে—এ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মতে, এই পরীক্ষা শুধু শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের বিষয় নয়; বরং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদার সঙ্গেও এটি জড়িত। পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক না হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকার দুর্গম বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘ বিরতির কারণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পড়াশোনায় অনীহা বা ঝরে পড়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

শিক্ষকদের মতে, নতুন সিদ্ধান্তে কয়েকটি বড় চ্যালেঞ্জ সামনে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সেশন জট, যেখানে নতুন শ্রেণিতে ভর্তির পর পুরনো বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ বিরতির কারণে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলতে পারে। অন্যদিকে বৃত্তি ও পাশের হার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনামের সঙ্গে জড়িত থাকায় শিক্ষকরাও বাড়তি চাপের মুখে পড়তে পারেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার সময়সূচি ও প্রস্তুতির বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।