শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
মসজিদ রোডে ময়লা পানির রাজত্ব; ড্রেন পরিষ্কার ও আধুনিকায়নের দাবিতে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা: দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার অন্যতম জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ‘কেন্দ্রীয় মসজিদ রোড’। প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা এই পথে। কিন্তু বর্তমানে এই সড়কটি যেন এক ‘দুর্গন্ধের ভাগাড়ে’ পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার না করায় উপচে পড়া ময়লা পানি আর তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ড্রেনগুলো পলিথিন ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ড্রেনের পচা পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। সড়কের পাশে থাকা নূরানী মাদ্রাসার শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই নোংরা পরিবেশ মাড়িয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করছে। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছে।

মসজিদ রোডের ব্যবসায়ীরা জানান, তীব্র দুর্গন্ধের কারণে দোকানে বসে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। ক্রেতারা দুর্গন্ধের কারণে এই এলাকা এড়িয়ে চলছেন, ফলে ব্যবসায় নেমেছে ধস। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন পরিষ্কার করা হয় না অনেক দিন। পচা পানির দুর্গন্ধে ক্রেতারা দোকানে আসতে চায় না। আমরা এখানে নরক যন্ত্রণায় আছি।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মসজিদে আসা মুসল্লিদের পোশাকে নাপাক পানি ছিটকে আসায় নিয়মিত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন তারা। জমে থাকা পানি থেকে মশা ও বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক বিরাজ করছে পুরো এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো মসজিদ রোড কাদা আর ময়লার রাজত্বে পরিণত হয়। এলাকাবাসীর জোর দাবি—অনতিবিলম্বে বর্তমান ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে একটি স্থায়ী ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হোক।

ভুক্তভোগী জনসাধারণ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রামগড় পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন, জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে যেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হয়। ড্রেনগুলো দ্রুত পরিষ্কার করে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে চলাচলের উপযোগী করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

মসজিদ রোডে ময়লা পানির রাজত্ব; ড্রেন পরিষ্কার ও আধুনিকায়নের দাবিতে ফুঁসে উঠছে এলাকাবাসী

রামগড়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল দশা: দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ০৪:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

খাগড়াছড়ির রামগড় পৌরসভার অন্যতম জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ‘কেন্দ্রীয় মসজিদ রোড’। প্রতিদিন হাজারো মানুষের আনাগোনা এই পথে। কিন্তু বর্তমানে এই সড়কটি যেন এক ‘দুর্গন্ধের ভাগাড়ে’ পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা পরিষ্কার না করায় উপচে পড়া ময়লা পানি আর তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ড্রেনগুলো পলিথিন ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে আছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ড্রেনের পচা পানি উপচে রাস্তায় চলে আসে। সড়কের পাশে থাকা নূরানী মাদ্রাসার শত শত কোমলমতি শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই নোংরা পরিবেশ মাড়িয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করছে। এতে শিশু শিক্ষার্থীরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েছে।

মসজিদ রোডের ব্যবসায়ীরা জানান, তীব্র দুর্গন্ধের কারণে দোকানে বসে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। ক্রেতারা দুর্গন্ধের কারণে এই এলাকা এড়িয়ে চলছেন, ফলে ব্যবসায় নেমেছে ধস। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ড্রেন পরিষ্কার করা হয় না অনেক দিন। পচা পানির দুর্গন্ধে ক্রেতারা দোকানে আসতে চায় না। আমরা এখানে নরক যন্ত্রণায় আছি।

অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় মসজিদে আসা মুসল্লিদের পোশাকে নাপাক পানি ছিটকে আসায় নিয়মিত বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন তারা। জমে থাকা পানি থেকে মশা ও বিভিন্ন পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্ক বিরাজ করছে পুরো এলাকায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই আজ এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পুরো মসজিদ রোড কাদা আর ময়লার রাজত্বে পরিণত হয়। এলাকাবাসীর জোর দাবি—অনতিবিলম্বে বর্তমান ড্রেনগুলো পরিষ্কার করে একটি স্থায়ী ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা হোক।

ভুক্তভোগী জনসাধারণ ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা রামগড় পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন, জনস্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে যেন দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হয়। ড্রেনগুলো দ্রুত পরিষ্কার করে এই জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে চলাচলের উপযোগী করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।