শিরোনামঃ
Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo বান্দরবানে ৬০ কোটি টাকার প্রকল্প: দুর্গম পাহাড়ে দূর হচ্ছে দীর্ঘদিনের পানির সংকট ‎ Logo কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় পেলেন কাপ্তাইয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান Logo খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল ৮৬১ রোগী ‎ Logo রাঙামাটি জেলায় কোনো বৈষম্য থাকবে না: চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার ‎ Logo নানিয়ারচর জোনে পাহাড়ি-বাঙালি তরুণদের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ শুরু Logo মহালছড়িতে ২৫ তরুণের মোবাইল রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ‎ Logo পাহাড়ে প্রযুক্তির আলো: রাঙামাটি সদর জোনে সেনাবাহিনীর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে: পার্বত্য সচিব ‎

বদলি আদেশ পকেটে পুরে রাঙামাটিতেই বহাল তবিয়তে এসআই মহিউদ্দিন ‎

বদলির আদেশ জারির দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তা তোয়াক্কা না করে রাঙামাটিতেই বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন আলমগীর। শুধু তাই নয়, পূর্বের কর্মস্থলে থেকে থানার কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং নানা অনিয়মের মাধ্যমে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টিরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

‎চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিস থেকে এসআই মহিউদ্দিনকে চাঁদপুর জেলায় বদলি করা হলেও তিনি এখনো রাঙামাটি ছাড়েননি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় নেটিজেন ও সচেতন নাগরিকরা। পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এমএ জয় তার ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন, মানিকছড়ি ফাঁড়িতে থাকাকালীন বিভিন্ন যানবাহন আটকে অর্থ আদায়, মাদকের মামলায় নাম কাটাসহ নানা অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার সিন্ডিকেট চালাতেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এমনকি সরকারি গাড়ির পরিবর্তে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার ব্যবহার করে শহরে নানা ধরনের অবৈধ লেনদেন ও হুমকি ধামকির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

তবে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, তাকে ইতোমধ্যে ছাড়পত্র (সিসি) দেওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে ধরে রাখার কোনো সুযোগ নেই।

‎অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে এসআই মহিউদ্দিন দাবি করেন, বদলির বিষয়টি তার হাতে নেই। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে এবং খুব শীঘ্রই তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করবেন। তবে যাওয়ার আগে তিনি উল্টো শহরের বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

‎বদলির আদেশ অমান্য করে একজন পুলিশ কর্মকর্তার এভাবে আগের কর্মস্থলে থেকে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের

বদলি আদেশ পকেটে পুরে রাঙামাটিতেই বহাল তবিয়তে এসআই মহিউদ্দিন ‎

প্রকাশিত: ০৪:২০:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বদলির আদেশ জারির দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তা তোয়াক্কা না করে রাঙামাটিতেই বহাল তবিয়তে দায়িত্ব পালন করছেন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহিউদ্দিন আলমগীর। শুধু তাই নয়, পূর্বের কর্মস্থলে থেকে থানার কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার এবং নানা অনিয়মের মাধ্যমে এলাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টিরও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

‎চট্টগ্রাম রেঞ্জ অফিস থেকে এসআই মহিউদ্দিনকে চাঁদপুর জেলায় বদলি করা হলেও তিনি এখনো রাঙামাটি ছাড়েননি। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার হয়েছেন স্থানীয় নেটিজেন ও সচেতন নাগরিকরা। পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এমএ জয় তার ফেসবুকে এক পোস্টে দাবি করেন, মানিকছড়ি ফাঁড়িতে থাকাকালীন বিভিন্ন যানবাহন আটকে অর্থ আদায়, মাদকের মামলায় নাম কাটাসহ নানা অপরাধ ধামাচাপা দেওয়ার সিন্ডিকেট চালাতেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এমনকি সরকারি গাড়ির পরিবর্তে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার ব্যবহার করে শহরে নানা ধরনের অবৈধ লেনদেন ও হুমকি ধামকির অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

তবে এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগের বিষয়ে ভিন্ন কথা বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন জানান, তাকে ইতোমধ্যে ছাড়পত্র (সিসি) দেওয়া হয়েছে। তাকে সেখানে ধরে রাখার কোনো সুযোগ নেই।

‎অন্যদিকে, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে এসআই মহিউদ্দিন দাবি করেন, বদলির বিষয়টি তার হাতে নেই। প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে এবং খুব শীঘ্রই তিনি কর্মস্থল ত্যাগ করবেন। তবে যাওয়ার আগে তিনি উল্টো শহরের বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

‎বদলির আদেশ অমান্য করে একজন পুলিশ কর্মকর্তার এভাবে আগের কর্মস্থলে থেকে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে অভিযুক্ত এসআইয়ের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে পুলিশ বিভাগের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ থাকে।