শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতে রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত হলো ১৩তম গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি এবং সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙামাটি শহরের রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। বিস্তারিত জানাচ্ছেন প্রতিনিধি মো. আরিফুল হক।
মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (DIRI)-এর সার্বিক সহযোগিতায় দেশব্যাপী একযোগে আয়োজিত এই বৃত্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষা রাঙামাটিতেও বেশ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী (ম.)-এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই পরীক্ষায় রাঙামাটির বিভিন্ন বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ থেকে ৮ম শ্রেণি এবং কারিগরি বিদ্যালয়ের ৯ম ও ১০ম শ্রেণির প্রায় ৬৪২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে সন্তোষ প্রকাশ করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও স্থানীয় সুধীজন। কেন্দ্র প্রধান রনতোষ মল্লিক জানান, অত্যন্ত সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আর কেন্দ্র সচিব মো. ইব্রাহিম ও হল সুপার মো. হাসান উদ্দীন জানান, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্ধারিত সময়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরীক্ষা শেষ হয়েছে।
আনন্দ প্রকাশ করেছে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরাও। তাদের মতে, এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নিয়মিত পড়াশোনায় আরও বেশি মনোযোগী হতে দারুণভাবে সাহায্য করে।
শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করতে প্রতিবছরই দেশব্যাপী এ ধরনের মহতী উদ্যোগ চালিয়ে যাচ্ছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। রাঙামাটিতেও এর সফল বাস্তবায়ন স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে বেশ প্রশংসিত হয়েছে।



















