শিরোনামঃ
Logo সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক Logo ৫৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাইয়ের বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদ, দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo সাজেকে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo চট্টগ্রামে ধারালো অস্ত্রসহ ধরা পড়ল ছিনতাইকারী ‘চেগা রাসেল’ ও তার সহযোগীরা Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির বার্তা: মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেলো সাড়ে ৭ শতাধিক মানুষ Logo কর্ণফুলীতে প্রতিমা বিসর্জন: আনন্দ ও চোখের জলে কাপ্তাইয়ে দুর্গোৎসবের সাঙ্গ Logo বিভাজনের বরফ গলিয়ে দেবিদ্বারে বিএনপির যৌথ পূজা পরিদর্শন: ঐক্যের সুবাতাস Logo সড়ক ও নৌপথে জীবন বাঁচাতে নামল ‘নিরাপদ যাত্রা’: রাঙামাটিতে সচেতনতার বার্তা Logo শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান, মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৫ Logo পূজার বিরতি শেষে কাল থেকে আবারো সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ

রাঙামাটির সাবেক কাউন্সিলর নেয়াজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার সত্যতা পেল আদালত

রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নেয়াজ আহমেদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা এবং প্রতারণা করে সাড়ে পাঁচ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে জুডিশিয়াল তদন্ত।
‎
‎সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন।
‎
‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পরিবারের পূর্বপরিচয়ের সূত্রে অভিযুক্ত নেয়াজ আহমেদ ভুক্তভোগী কানিজ সুলতানা কেয়ার (২৬) বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন। গত এপ্রিল মাসে ব্যবসায়িক সংকটের কথা বলে ১ মাসের জন্য তিনি ওই গৃহবধূর কাছ থেকে ৫ ভরি ২ আনা স্বর্ণালংকার ধার হিসেবে নেন। তবে পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব ও হুমকি দিতে থাকেন।
‎
‎পরবর্তীতে গত ২৩ আগস্ট রাতে বনরূপার কাটা পাহাড় লেইন এলাকায় ভুক্তভোগীর বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে শ্লীলতাহানি ও জোরপূর্বক ধর্ষণের অপচেষ্টা চালান সাবেক এই কাউন্সিলর। গৃহবধূর চিৎকারে তার স্বামী এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত পালিয়ে যান। সবশেষ ২ অক্টোবর ফোন করে পাওনা সোনা ফেরত দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন এবং মুখ খুললে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
‎উপায়ান্তর না পেয়ে গত ৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
‎
‎আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে জুডিশিয়াল তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
‎রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মাকসুদা হক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে।
‎
‎অন্যদিকে অভিযুক্ত নেয়াজ আহমেদ আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি করেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়ে নিজেদের মধ্যে আপস হয়েছে। তবে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা ভুক্তভোগী পরিবার আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক

রাঙামাটির সাবেক কাউন্সিলর নেয়াজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার সত্যতা পেল আদালত

প্রকাশিত: ০২:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর নেয়াজ আহমেদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা এবং প্রতারণা করে সাড়ে পাঁচ ভরির বেশি স্বর্ণালংকার আত্মসাতের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে জুডিশিয়াল তদন্ত।
‎
‎সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন।
‎
‎মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, পরিবারের পূর্বপরিচয়ের সূত্রে অভিযুক্ত নেয়াজ আহমেদ ভুক্তভোগী কানিজ সুলতানা কেয়ার (২৬) বাসায় নিয়মিত যাতায়াত করতেন। গত এপ্রিল মাসে ব্যবসায়িক সংকটের কথা বলে ১ মাসের জন্য তিনি ওই গৃহবধূর কাছ থেকে ৫ ভরি ২ আনা স্বর্ণালংকার ধার হিসেবে নেন। তবে পরবর্তীতে তা ফেরত না দিয়ে উল্টো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গৃহবধূকে কুপ্রস্তাব ও হুমকি দিতে থাকেন।
‎
‎পরবর্তীতে গত ২৩ আগস্ট রাতে বনরূপার কাটা পাহাড় লেইন এলাকায় ভুক্তভোগীর বাসায় অনধিকার প্রবেশ করে শ্লীলতাহানি ও জোরপূর্বক ধর্ষণের অপচেষ্টা চালান সাবেক এই কাউন্সিলর। গৃহবধূর চিৎকারে তার স্বামী এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত পালিয়ে যান। সবশেষ ২ অক্টোবর ফোন করে পাওনা সোনা ফেরত দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা দেন এবং মুখ খুললে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।
‎উপায়ান্তর না পেয়ে গত ৭ অক্টোবর ভুক্তভোগী বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন।
‎
‎আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে জুডিশিয়াল তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ৫ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
‎রাঙামাটির নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট মাকসুদা হক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে।
‎
‎অন্যদিকে অভিযুক্ত নেয়াজ আহমেদ আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি করেছেন, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার এবং বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্টি হয়ে নিজেদের মধ্যে আপস হয়েছে। তবে বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা ভুক্তভোগী পরিবার আসামির বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে।