শিরোনামঃ
Logo খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পিসিপি’র বিক্ষোভ: আগামীকাল খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে আধাবেলা সড়ক অবরোধের ডাক Logo সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক Logo ৫৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাইয়ের বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদ, দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo সাজেকে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo চট্টগ্রামে ধারালো অস্ত্রসহ ধরা পড়ল ছিনতাইকারী ‘চেগা রাসেল’ ও তার সহযোগীরা Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির বার্তা: মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেলো সাড়ে ৭ শতাধিক মানুষ Logo কর্ণফুলীতে প্রতিমা বিসর্জন: আনন্দ ও চোখের জলে কাপ্তাইয়ে দুর্গোৎসবের সাঙ্গ Logo বিভাজনের বরফ গলিয়ে দেবিদ্বারে বিএনপির যৌথ পূজা পরিদর্শন: ঐক্যের সুবাতাস Logo সড়ক ও নৌপথে জীবন বাঁচাতে নামল ‘নিরাপদ যাত্রা’: রাঙামাটিতে সচেতনতার বার্তা Logo শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান, মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৫

পানছড়িতে আগাম সবজি চাষে তরুণ কৃষক মিরাজুলের বাজিমাত, চান সরকারি ঋণ ও সহযোগিতা ​

শীতের আগমনী বার্তার সাথে সাথেই পাহাড়ের স্থানীয় বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে হরেক রকমের শীতকালীন সবজি। প্রকৃতির এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আগাম সবজি চাষ করে পানছড়িতে বাজিমাত করেছেন মো. মিরাজুল ইসলাম নামের এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা।
‎
‎​পানছড়ি উপজেলার হাসান নগর গ্রামের মো. আবু তাহেরের ছেলে মিরাজুল চলতি মৌসুমে আগাম মুলা চাষে পান অভাবনীয় সাফল্য। শুধু মুলাতেই থেমে থাকেননি তিনি; বাড়তি মুনাফা ও বাজারের চাহিদার কথা ভেবে একই জমিতে চাষ করেছেন বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, বরবটি ও টমেটো।
‎
‎​সরেজমিনে হাসান নগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি সবুজ সবজি গাছে ভরে গেছে মিরাজুলের কৃষি জমি। নিজ মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে তিনি গড়ে তুলেছেন এই স্বপ্নের সবজি খামার।
‎
‎​নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সংগ্রামশীল এই তরুণ বলেন, আমি খুব দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বেকার না বসে থেকে নিজের উদ্যোগে কৃষিকাজ শুরু করেছি। তবে পুঁজির অভাবে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও খামার বড় করতে পারছি না। সরকার বা ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে কৃষি ঋণ পেলে আমি নিজেকে একজন বড় মাপের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারতাম। পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ ও কারিগরি সহায়তা পেলে বছরজুড়েই এখানে আগাম সবজি উৎপাদন সম্ভব।
‎
‎​এ বিষয়ে পানছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, আগাম সবজি চাষ বেশ ব্যয়বহুল হলেও মিরাজুল বেশ ভালো করছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাঁকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা দেওয়া হবে।
‎
‎​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ব্যাংক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দ্রুত এগিয়ে এলে তা শুধু পানছড়ির অর্থনীতিকেই সমৃদ্ধ করবে না, বরং সারাদেশের সবজির চাহিদা মেটাতেও ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পিসিপি’র বিক্ষোভ: আগামীকাল খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে আধাবেলা সড়ক অবরোধের ডাক

পানছড়িতে আগাম সবজি চাষে তরুণ কৃষক মিরাজুলের বাজিমাত, চান সরকারি ঋণ ও সহযোগিতা ​

প্রকাশিত: ০৯:১৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
শীতের আগমনী বার্তার সাথে সাথেই পাহাড়ের স্থানীয় বাজারগুলোতে উঠতে শুরু করেছে হরেক রকমের শীতকালীন সবজি। প্রকৃতির এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আগাম সবজি চাষ করে পানছড়িতে বাজিমাত করেছেন মো. মিরাজুল ইসলাম নামের এক তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা।
‎
‎​পানছড়ি উপজেলার হাসান নগর গ্রামের মো. আবু তাহেরের ছেলে মিরাজুল চলতি মৌসুমে আগাম মুলা চাষে পান অভাবনীয় সাফল্য। শুধু মুলাতেই থেমে থাকেননি তিনি; বাড়তি মুনাফা ও বাজারের চাহিদার কথা ভেবে একই জমিতে চাষ করেছেন বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, বরবটি ও টমেটো।
‎
‎​সরেজমিনে হাসান নগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি সবুজ সবজি গাছে ভরে গেছে মিরাজুলের কৃষি জমি। নিজ মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে তিনি গড়ে তুলেছেন এই স্বপ্নের সবজি খামার।
‎
‎​নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সংগ্রামশীল এই তরুণ বলেন, আমি খুব দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বেকার না বসে থেকে নিজের উদ্যোগে কৃষিকাজ শুরু করেছি। তবে পুঁজির অভাবে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও খামার বড় করতে পারছি না। সরকার বা ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে কৃষি ঋণ পেলে আমি নিজেকে একজন বড় মাপের সফল উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে পারতাম। পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ ও কারিগরি সহায়তা পেলে বছরজুড়েই এখানে আগাম সবজি উৎপাদন সম্ভব।
‎
‎​এ বিষয়ে পানছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার রাশিদুল কবির জানান, আগাম সবজি চাষ বেশ ব্যয়বহুল হলেও মিরাজুল বেশ ভালো করছেন। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে তাঁকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা দেওয়া হবে।
‎
‎​স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলে তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে ব্যাংক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর দ্রুত এগিয়ে এলে তা শুধু পানছড়ির অর্থনীতিকেই সমৃদ্ধ করবে না, বরং সারাদেশের সবজির চাহিদা মেটাতেও ভূমিকা রাখবে।