শিরোনামঃ
Logo অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ জোর দেওয়ার নির্দেশ পুলিশ সুপারের Logo রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত: পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার তাগিদ Logo রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত: পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ এসপির Logo মহালছড়িতে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যা না আত্মহত্যা দুই পরিবারের পাল্টাপাল্টি দাবিতে তোলপাড় Logo সাজেকে আধিপত্যের লড়াই ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: পিসিএনপির তীব্র নিন্দা ও যৌথ অভিযানের দাবি Logo সাজেকে পর্যটন সংকট নিরসনে হেডম্যান-কারবারিদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময়, গঠন হলো ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি Logo ধর্মীয় সংহতি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে সম্পন্ন দিনব্যাপী নানা আয়োজন; পুণ্যার্থীদের প্রার্থনায় মুখরিত বিহার প্রাঙ্গণ Logo চিরবিদায় নিলেন বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক আলহাজ্ব শহিদুল হক; কুমিল্লায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন Logo রাঙ্গামাটিতে কোতোয়ালী থানার বিশেষ অভিযান: মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাং সদস্যসহ আটক ১২ Logo উত্তপ্ত খাগড়াছড়ি: পিসিপির অবরোধে গভীর রাতে গাছ কেটে সড়ক ব্লক, অচল যোগাযোগব্যবস্থা

সাজেকে আধিপত্যের লড়াই ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: পিসিএনপির তীব্র নিন্দা ও যৌথ অভিযানের দাবি

পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘মেঘের রাজ্য’ সাজেক ভ্যালিতে সশস্ত্র উপজাতীয় সংগঠনগুলোর আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
‎
‎ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)-এর মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও অবৈধ অবরোধ কর্মসূচির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
‎
‎একইসাথে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর কঠোর অভিযানের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির এক যৌথ বিবৃতিতে মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এবং চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল হামিদ রানা জানান, মূলত সাজেক অঞ্চলে চাঁদাবাজির ভাগ-বাঁটোয়ারা ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে ইউপিডিএফ এবং পিসিজেএসএস-এর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা চলছে। এর জের ধরে ইউপিডিএফ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা থেকে প্রতিপক্ষকে বিতাড়িত করতে অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে তাদের ছায়া সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ এবং ‘সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন’-কে মাঠে নামিয়ে গত ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ পালন করা হয়।
 
‎পর্যটকদের ওপর হামলা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা:
‎বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাময়িক বিরতি শেষে ২২ অক্টোবর পুনরায় আন্দোলন শুরু করে অবরোধকারীরা। ঐদিন সকালে সাজেক ত্যাগ করার সময় সাধারণ পর্যটকদের চলাচলে বাধা দেওয়া হয় এবং সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি বর্ষণ করে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে পর্যটকদের জীবন রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। অবরোধকারীদের ইট-পাটকেল ও হামলায় বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য আহত হলেও সেনাবাহিনী সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎
‎পরবর্তীতে এই ঘটনাকে বিকৃত করে ইউপিডিএফ-এর অপর একটি ছায়া সংগঠন ‘ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ’ ২৪ অক্টোবর রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দেয় এবং সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাতে থাকে।
‎
‎পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এসব আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর অবৈধ কর্মসূচি ও চাঁদাবাজির কারণে সাজেকের সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে এবং পাহাড়কে অবৈধ অস্ত্র মুক্ত করতে অনতিবিলম্বে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
‎
‎
জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে বিশেষ জোর দেওয়ার নির্দেশ পুলিশ সুপারের

সাজেকে আধিপত্যের লড়াই ও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: পিসিএনপির তীব্র নিন্দা ও যৌথ অভিযানের দাবি

প্রকাশিত: ১০:২৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘মেঘের রাজ্য’ সাজেক ভ্যালিতে সশস্ত্র উপজাতীয় সংগঠনগুলোর আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
‎
‎ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস)-এর মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও অবৈধ অবরোধ কর্মসূচির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।
‎
‎একইসাথে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে চালানো অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে যৌথ বাহিনীর কঠোর অভিযানের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।পিসিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির এক যৌথ বিবৃতিতে মহাসচিব মোহাম্মদ সোলায়মান এবং চেয়ারম্যান মোঃ আবদুল হামিদ রানা জানান, মূলত সাজেক অঞ্চলে চাঁদাবাজির ভাগ-বাঁটোয়ারা ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে ইউপিডিএফ এবং পিসিজেএসএস-এর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা চলছে। এর জের ধরে ইউপিডিএফ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা থেকে প্রতিপক্ষকে বিতাড়িত করতে অবরোধের মতো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে। পরবর্তীতে তাদের ছায়া সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ এবং ‘সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশন’-কে মাঠে নামিয়ে গত ১১ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ পালন করা হয়।
 
‎পর্যটকদের ওপর হামলা ও সেনাবাহিনীর ভূমিকা:
‎বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাময়িক বিরতি শেষে ২২ অক্টোবর পুনরায় আন্দোলন শুরু করে অবরোধকারীরা। ঐদিন সকালে সাজেক ত্যাগ করার সময় সাধারণ পর্যটকদের চলাচলে বাধা দেওয়া হয় এবং সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি বর্ষণ করে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে পর্যটকদের জীবন রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সেনাবাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। অবরোধকারীদের ইট-পাটকেল ও হামলায় বেশ কয়েকজন নিরাপত্তা সদস্য আহত হলেও সেনাবাহিনী সাহসিকতার সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
‎
‎পরবর্তীতে এই ঘটনাকে বিকৃত করে ইউপিডিএফ-এর অপর একটি ছায়া সংগঠন ‘ছাত্র-জনতা সংগ্রাম পরিষদ’ ২৪ অক্টোবর রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে অর্ধদিবস সড়ক ও নৌপথ অবরোধের ডাক দেয় এবং সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালাতে থাকে।
‎
‎পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এসব আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর অবৈধ কর্মসূচি ও চাঁদাবাজির কারণে সাজেকের সম্ভাবনাময় পর্যটন খাত আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে এবং পাহাড়কে অবৈধ অস্ত্র মুক্ত করতে অনতিবিলম্বে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর চিরুনি অভিযান পরিচালনার জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
‎
‎