শিরোনামঃ
Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ; চারা বিতরণের পাশাপাশি মিলল জৈব সার ও রোপণ সামগ্রী।

গুইমারায় সবুজায়নের ডাক: কৃষি প্রণোদনায় ২৩০০ বৃক্ষচারা পেলেন ৩০০ কৃষক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় খাগড়াছড়ির গুইমারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩০০ জন কৃষক ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে মোট ২ হাজার ৩০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে জালিয়াপাড়াস্থ সহকারী কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে এই চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও পরিবেশের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর অধীনে:
উপজেলার ৩০০ জন শ্রমজীবী কৃষকের মাঝে ১,৫০০টি উন্নত জাতের ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে আরও ৮০০টি বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদান করা হয়। চারা রোপণ যেন সফল হয়, সেজন্য প্রতিটি উপকারভোগীকে চারার পাশাপাশি ১০০ টাকা সমমূল্যের জৈব সার এবং গাছ সোজা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় খুঁটি বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোফায়েল আহম্মদ উপস্থিত থেকে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক নির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।

আয়োজক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কেবল চারা বিতরণই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য নয়; বরং জনগণের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তারা বিতরণ করা চারাগুলো অবহেলা না করে, যথাযথভাবে রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে উপকারভোগীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিনামূল্যে সার, খুঁটিসহ ফলজ ও ঔষধি চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। পাহাড়ি এলাকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে এই ধরনের সরকারি কৃষি প্রণোদনা আগামীতেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ; চারা বিতরণের পাশাপাশি মিলল জৈব সার ও রোপণ সামগ্রী।

গুইমারায় সবুজায়নের ডাক: কৃষি প্রণোদনায় ২৩০০ বৃক্ষচারা পেলেন ৩০০ কৃষক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ০৯:৪০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

পরিবেশ সংরক্ষণ, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় খাগড়াছড়ির গুইমারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-২ মৌসুমে সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৩০০ জন কৃষক ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে মোট ২ হাজার ৩০০টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টায় গুইমারা উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে জালিয়াপাড়াস্থ সহকারী কৃষি অফিসারের কার্যালয়ে এই চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও পরিবেশের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর অধীনে:
উপজেলার ৩০০ জন শ্রমজীবী কৃষকের মাঝে ১,৫০০টি উন্নত জাতের ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে আরও ৮০০টি বনজ ও ঔষধি গাছের চারা প্রদান করা হয়। চারা রোপণ যেন সফল হয়, সেজন্য প্রতিটি উপকারভোগীকে চারার পাশাপাশি ১০০ টাকা সমমূল্যের জৈব সার এবং গাছ সোজা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় খুঁটি বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিসকাতুল তামান্না। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোফায়েল আহম্মদ উপস্থিত থেকে কর্মসূচি বাস্তবায়নে সার্বিক নির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।

আয়োজক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানান, কেবল চারা বিতরণই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য নয়; বরং জনগণের মধ্যে বৃক্ষরোপণের আগ্রহ তৈরি করা এবং পাহাড়ি অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষা করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য। তারা বিতরণ করা চারাগুলো অবহেলা না করে, যথাযথভাবে রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে উপকারভোগীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিনামূল্যে সার, খুঁটিসহ ফলজ ও ঔষধি চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষকেরা। পাহাড়ি এলাকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধে এই ধরনের সরকারি কৃষি প্রণোদনা আগামীতেও বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।