শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ
আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে শিক্ষার্থীদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দিলেন জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ।

জলবায়ু মোকাবিলায় কাপ্তাইয়ে সেনা উদ্যোগ: শিশু নিকেতনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে এক ব্যতিক্রমী সবুজ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কাপ্তাই জোন (৩৮ বীর)। ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি। তিনি নিজ হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন, যা উপস্থিত শিশু-কিশোরদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলের অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কাপ্তাই জোনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা রুখতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি এ সময় নির্বিচারে ও অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরও বেগবান করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অনুধাবন করে নিজেদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়তে শিক্ষার্থীদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দিলেন জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ।

জলবায়ু মোকাবিলায় কাপ্তাইয়ে সেনা উদ্যোগ: শিশু নিকেতনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

প্রকাশিত: ০১:৫৯:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে এক ব্যতিক্রমী সবুজ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কাপ্তাই জোন (৩৮ বীর)। ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ, পিএসসি। তিনি নিজ হাতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করে এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন। এরপর তিনি কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন, যা উপস্থিত শিশু-কিশোরদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করে।

কাপ্তাই শিশু নিকেতন স্কুলের অধ্যক্ষ রেহেনা আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে কাপ্তাই জোনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা রুখতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি এ সময় নির্বিচারে ও অপ্রয়োজনীয়ভাবে গাছ কাটা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরও বেগবান করার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব অনুধাবন করে নিজেদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও দূষণমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথ নেন।