ভূষণছড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান ভবন। ভবনের সামনে কোনো বারান্দা নেই। খোলা আকাশ ও উঠান দেখা যাচ্ছে।
পড়াশোনার আনন্দ আর নিরাপদ পরিবেশ—এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই গড়ে ওঠে একটি আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু এর চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলার ভূষণছড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। দীর্ঘ দিন ধরে বিদ্যালয় ভবনে কোনো বারান্দা না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শত শত শিক্ষার্থীকে।
বৃষ্টির দিনে বা কড়া রোদে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে অথবা স্কুলের বারান্দার অভাবে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবনটিতে কোনো বারান্দা বা ছাদঘেরা ছাউনি না থাকায় স্কুল ছুটির আগে বা ক্লাস শুরুর পূর্বে শিক্ষার্থীদের চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়। বিশেষ করে বর্ষাকালে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামলে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ঢোকার আগে ভিজে একাকার হতে হয়। আবার গ্রীষ্মের তীব্র খরতাপেও রোদের হাত থেকে বাঁচার কোনো উপায় থাকে না।
শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী কোনো প্রতিষ্ঠান বা আশপাশের কোনো ভবনের বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে
শ্রেণিকক্ষ খোলার আগে নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বারান্দায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। এতে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে তাদের পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ।
ভিজ্যুয়াল: ক্ষুব্ধ বা উদ্বিগ্ন কিছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের ক্লোজ-আপ শট বা সাক্ষাৎকার নেওয়ার দৃশ্য।
অভিভাবকদের অভিযোগ, বহুবার স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সামান্য একটু আশ্রয়ের জায়গার অভাবে প্রতিনিয়ত ঝুঁকিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা।
স্কুলের প্রধান গেট বা সামনের অংশের দৃশ্য এবং স্ক্রিনে রিপোর্টার লাইভ মোডে কথা বলছেন।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক নিরাপত্তা, স্বাচ্ছন্দ্য এবং একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই বিদ্যালয়ে দ্রুত একটি প্রশস্ত ও টেকসই বারান্দা নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবেন—এমনটাই এখন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একমাত্র প্রত্যাশা।




















