রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে; ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পৃথিবী গড়তে প্রতিটি নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ, যেখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করছেন স্থানীয় প্রশাসন ও উচ্চপদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা। ব্যাকগ্রাউন্ডে গাছের সবুজ ছায়া ও উৎসবমুখর পরিবেশ।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
রোববার (১০ আগস্ট ২০২৬) কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে একটি গাছ রোপণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণের স্মৃতিকে স্মরণ করেন প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এ সময় তাঁরা কাপ্তাই উপজেলা চত্বরে নিজ হাতে গাছের চারা রোপণ করে উপস্থিত জনতাকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করেন।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী অতিথিরা বলেন, গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্যই রক্ষা করে না, বরং মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ এবং এর যথাযথ পরিচর্যা করা জরুরি।
এই বিশেষ আয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব সুমন বড়ুয়া, রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুল রকিব পিপিএম, কাপ্তাই জোন কমান্ডার লে. কর্নেল মো. নাজমুল কাদির শুভ পিএসসি, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম, জেলা প্রশাসনের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) মো. মোবারক হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম, কাপ্তাই শহীদ মোয়াজ্জেম ঘাঁটির কমান্ডার ফরহাদ খান, কাপ্তাই সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম এবং কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দিলদার হোসেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বৃক্ষরোপণ শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনায় একটি সবুজ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। পাশাপাশি, জলবায়ুর হুমকি মোকাবিলায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে অন্তত একটি করে ফলজ, বনজ বা ঔষধি গাছ লাগানোর উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।




















