জ্বালানি গ্যাসের তীব্র সংকটের কারণে চট্টগ্রাম থেকে চন্দ্রঘোনা হয়ে কাপ্তাই-রাঙামাটি সড়কে গণপরিবহন ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। আর এই সংকটের সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণির অসাধু পরিবহন চালক যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করছেন অতিরিক্ত ভাড়া। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ রুটে নিয়মিত যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ।
পার্বত্য অঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম চট্টগ্রাম–চন্দ্রঘোনা–কাপ্তাই–রাঙামাটি সড়ক। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে হাজার হাজার মানুষ কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে যাতায়াত করেন। কিন্তু বর্তমানে গ্যাস সংকটের দোহাই দিয়ে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।
নিয়মিত যাত্রীদের অভিযোগ, জ্বালানি সংকট তারা বুঝতে পারেন; কিন্তু সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় তাদের সীমিত আয়ে টান পড়ছে। মাস শেষে এই বাড়তি যাতায়াত খরচ নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের পারিবারিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাধ্য হয়ে অনেকে জরুরি যাতায়াতও কমিয়ে দিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, গ্যাস সংকটের দ্রুত সমাধানের পাশাপাশি পরিবহন খাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি জরুরি। শুধু সংকটের অজুহাতে যাত্রীদের ওপর বাড়তি ব্যয়ের বোঝা চাপিয়ে না দিয়ে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরিবহন মালিকদের সমন্বয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
সাধারণ যাত্রীদের এখন একটাই প্রত্যাশা—দ্রুত গ্যাস সংকট নিরসন হোক এবং নির্ধারিত ভাড়ায় নির্বিঘ্নে যাতায়াতের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখুক।




















