রাঙামাটির নানিয়ারচরে দীর্ঘ ৩৭ বছর পর বেদখল হওয়া রেকর্ডভুক্ত জমির প্লটের সীমানা চিহ্নিতকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বাজার ফান্ড প্রশাসন। সোমবার দুপুরে উপজেলা সদরের প্রধান সড়কের পাশে এই ডিমার্কেশন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১৯৮৪-৮৫ সনে বন্দোবস্ত পাওয়া বেশ কিছু প্লট পাহাড়ি অঞ্চলের তৎকালীন অস্থিরতা এবং পরপর দুবার বাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার সুযোগে বেদখল হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো তাদের প্লটের দখল ফিরে পেতে নানিয়ারচর জোনের বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তা কামনা করে। পরবর্তীতে সেনাসদস্যদের পরামর্শ অনুযায়ী তারা বাজার ফান্ড কার্যালয়ে যোগাযোগ করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার বাজার ফান্ডের সার্ভেয়ার তাসোমনি চাকমা ও কানুনগো নির্মল কান্তি চাকমার নেতৃত্বে ৫৩, ৫৫, ৫৯, ৬২, ৬৩ ও ৬৫ নম্বর প্লটের সীমানা চিহ্নিত করা হয়। এ সময় ৫৫ নম্বর প্লটের জায়গা ডিমার্কেশনের সময় কিছু ব্যক্তি বাধা প্রদান করলেও সার্বিক সহযোগিতায় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে অবৈধ দখলদার বহাল থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে খালি জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি; নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উক্ত কার্যক্রমে নানিয়ারচর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, স্থানীয় ভুক্তভোগী পরিবার এবং বাজার ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের আশা, এই পদক্ষেপের ফলে প্রকৃত জায়গা নির্ধারিত হবে এবং ভবিষ্যতে জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান ঘটবে।




















