রাঙামাটি জেলার উন্নয়নে কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পর্ষদের নতুন চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার (দীপু)। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সকল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের মিশন বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাঙামাটি শহরের আসামবস্তীস্থ পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক শুভেচ্ছা বিনিময় ও সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠন (রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ নবগঠিত পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদারকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার বলেন, “গত ১৭ বছরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম ও স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তরিত হওয়া বিভাগগুলোকে পর্যায়ক্রমে সক্রিয় করে মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নেও আমাদের পরিষদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মুখপাত্র নির্মল বড়ুয়া মিলন তাঁর বক্তব্যে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯-এর অধীনে জেলার অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ন্যায় বড়ুয়া জনগোষ্ঠীর নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। পাশাপাশি বড়ুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বড়ুয়া সংগঠনের কার্যালয়ে একটি জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২০ আগস্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি দীপন তালুকদারকে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়।




















