শিরোনামঃ
Logo সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক Logo ৫৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাইয়ের বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদ, দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo সাজেকে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo চট্টগ্রামে ধারালো অস্ত্রসহ ধরা পড়ল ছিনতাইকারী ‘চেগা রাসেল’ ও তার সহযোগীরা Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির বার্তা: মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেলো সাড়ে ৭ শতাধিক মানুষ Logo কর্ণফুলীতে প্রতিমা বিসর্জন: আনন্দ ও চোখের জলে কাপ্তাইয়ে দুর্গোৎসবের সাঙ্গ Logo বিভাজনের বরফ গলিয়ে দেবিদ্বারে বিএনপির যৌথ পূজা পরিদর্শন: ঐক্যের সুবাতাস Logo সড়ক ও নৌপথে জীবন বাঁচাতে নামল ‘নিরাপদ যাত্রা’: রাঙামাটিতে সচেতনতার বার্তা Logo শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান, মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৫ Logo পূজার বিরতি শেষে কাল থেকে আবারো সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ

শান্তি ও নিরাপত্তার অবিচল প্রতীক: সেনাপ্রধানের পার্বত্য চট্টগ্রামের বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন

দুর্গম অঞ্চলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও দেশের সার্বভৌমত্ব ও শান্তি রক্ষায় নিয়োজিত সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
‎
‎পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের বীর সেনাসদস্যরা। আর তাদের এই মনোবল চাঙ্গা করতে আজ (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি রিজিয়ন পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
‎
‎আজ সকালে সেনাপ্রধান রাঙ্গামাটি রিজিয়নের অত্যন্ত দুর্গম বিলাইছড়ি এবং কাপ্তাই জোনের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে কুশলাদি ও মতবিনিময় করেন।
‎
‎পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের সেনাসদস্যরা যে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
 
‎এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে উপস্থিত ছিলেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, সেনাবাহিনীর সামরিক সচিবসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে তিনি ভবিষ্যতেও যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য উপস্থিত সকল স্তরের সেনাসদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
 
‎পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই নিয়মিত ও সরাসরি উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থার নতুন মাত্রা যোগ করেছে—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
জনপ্রিয় সংবাদ

সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক

শান্তি ও নিরাপত্তার অবিচল প্রতীক: সেনাপ্রধানের পার্বত্য চট্টগ্রামের বিলাইছড়ি ও কাপ্তাই সেনা ক্যাম্প পরিদর্শন

প্রকাশিত: ০২:৫৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
দুর্গম অঞ্চলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও দেশের সার্বভৌমত্ব ও শান্তি রক্ষায় নিয়োজিত সেনাসদস্যদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
‎
‎পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন আমাদের বীর সেনাসদস্যরা। আর তাদের এই মনোবল চাঙ্গা করতে আজ (বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬) পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি রিজিয়ন পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
‎
‎আজ সকালে সেনাপ্রধান রাঙ্গামাটি রিজিয়নের অত্যন্ত দুর্গম বিলাইছড়ি এবং কাপ্তাই জোনের বিভিন্ন সেনা ক্যাম্প সরেজমিন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি সেখানে দায়িত্বরত সেনা কর্মকর্তা ও জওয়ানদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের সাথে কুশলাদি ও মতবিনিময় করেন।
‎
‎পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান বলেন, সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং প্রতিকূল ভৌগোলিক পরিবেশের মধ্যেও পার্বত্য অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের সেনাসদস্যরা যে পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
 
‎এ সময় সেনাপ্রধানের সাথে উপস্থিত ছিলেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও চট্টগ্রাম এরিয়া কমান্ডার, সেনাবাহিনীর সামরিক সচিবসহ সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে তিনি ভবিষ্যতেও যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য উপস্থিত সকল স্তরের সেনাসদস্যকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
 
‎পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই নিয়মিত ও সরাসরি উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থার নতুন মাত্রা যোগ করেছে—এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।