বৃক্ষরোপণ, শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও গুণীজন সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে রাঙামাটিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘চ্যানেল আই’-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় রাঙামাটি শিশু নিকেতন মাঠে বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়। পরে রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
চ্যানেল আইয়ের রাঙামাটি প্রতিনিধি মনসুর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল রকিব, পিপিএম।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরুপা দেওয়ান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লায়ন পিযূষ তালুকদার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক রুপম চক্রবর্তী, রাঙামাটি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম শাকিল, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে ও সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, বর্তমান সভাপতি আনোয়ার আল হক, রাঙামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম কামাল উদ্দিন, দৈনিক রাঙামাটির ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বেগম সুফিয়া কামাল ঝিমি, নৃত্য প্রশিক্ষক ফিফা চাকমা, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. হাবীব আজম এবং এফপিএবির সভাপতি শাহেদা আকতার প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল রকিব চ্যানেল আই পরিবারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই চ্যানেল আই সত্য ও সুন্দরকে ধারণ করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। দেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গণমানুষের কথা তুলে ধরতে চ্যানেল আইয়ের ভূমিকা প্রশংসনীয়। পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি তুলে ধরতেও গণমাধ্যমটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।
সভায় বক্তারা চ্যানেল আইয়ের বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা, গঠনমূলক অবদান এবং কৃষি ও সংস্কৃতিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেন। আগামী দিনেও গণমাধ্যমটি একই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশ ও জাতির সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে চ্যানেল আইয়ের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। আলোচনা সভা শেষে শিশুদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটজন গুণী ব্যক্তিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর অতিথিদের নিয়ে কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।




















