শিরোনামঃ
Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক
কালো চুক্তি' বাস্তবায়িত হলে বিলুপ্তির পথে হাঁটবে ছোট জাতিগুলো—শঙ্কিত পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিসত্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের অস্তিত্বের সংকট ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের বিস্ফোরক মন্তব্য

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (শান্তি চুক্তি) প্রায় তিন দশক পার হতে চললেও এর সুফল নিয়ে পাহাড়ে এখনো বইছে বিতর্কের ঝড়। সম্প্রতি ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের একটি বক্তব্যে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার মেরুকরণ। এই চুক্তিকে ‘কালো চুক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেছেন, এর পূর্ণ বাস্তবায়ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য আশীর্বাদ নয়, বরং অস্তিত্ব বিলীনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের মতে, এই চুক্তির আড়ালে চাপা পড়ে যাচ্ছে ছোট ছোট জাতিগুলোর অধিকার। তাঁর দাবি, এই চুক্তি মূলত নির্দিষ্ট কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে, যেখানে চাক, খুমী, লুসাই বা পাংখোয়াদের মতো ছোট জাতিসত্তাগুলো প্রান্তিক থেকে আরও প্রান্তিক হয়ে পড়ছে।

থোয়াইচিং মং চাকের বক্তব্যের মূল ভিত্তিগুলো হলো চুক্তির ফলে সৃষ্ট আঞ্চলিক পরিষদে সকল ক্ষুদ্র জাতির সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি। বড় গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবে ছোট জাতিগুলোর ভাষা ও সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার ভয়।
চুক্তির দোহাই দিয়ে পাহাড়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয় তৈরি করা হয়েছে যা অন্যদের জন্য দমবন্ধকর।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের এই কঠোর হুঁশিয়ারি পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। এটি কি কেবলই একটি ব্যক্তিগত মতামত, নাকি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিগুলো কি সত্যিই বিলুপ্তির পথে। এখন প্রশ্ন একটাই—কথিত শান্তি চুক্তির সুফল কি তবে সবার দ্বারে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

কালো চুক্তি' বাস্তবায়িত হলে বিলুপ্তির পথে হাঁটবে ছোট জাতিগুলো—শঙ্কিত পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিসত্তারা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি কি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের অস্তিত্বের সংকট ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের বিস্ফোরক মন্তব্য

প্রকাশিত: ০৩:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির (শান্তি চুক্তি) প্রায় তিন দশক পার হতে চললেও এর সুফল নিয়ে পাহাড়ে এখনো বইছে বিতর্কের ঝড়। সম্প্রতি ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের একটি বক্তব্যে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনার মেরুকরণ। এই চুক্তিকে ‘কালো চুক্তি’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি দাবি করেছেন, এর পূর্ণ বাস্তবায়ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর জন্য আশীর্বাদ নয়, বরং অস্তিত্ব বিলীনের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাকের মতে, এই চুক্তির আড়ালে চাপা পড়ে যাচ্ছে ছোট ছোট জাতিগুলোর অধিকার। তাঁর দাবি, এই চুক্তি মূলত নির্দিষ্ট কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করছে, যেখানে চাক, খুমী, লুসাই বা পাংখোয়াদের মতো ছোট জাতিসত্তাগুলো প্রান্তিক থেকে আরও প্রান্তিক হয়ে পড়ছে।

থোয়াইচিং মং চাকের বক্তব্যের মূল ভিত্তিগুলো হলো চুক্তির ফলে সৃষ্ট আঞ্চলিক পরিষদে সকল ক্ষুদ্র জাতির সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি। বড় গোষ্ঠীগুলোর প্রভাবে ছোট জাতিগুলোর ভাষা ও সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার ভয়।
চুক্তির দোহাই দিয়ে পাহাড়ে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বলয় তৈরি করা হয়েছে যা অন্যদের জন্য দমবন্ধকর।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াই চিং মং চাকের এই কঠোর হুঁশিয়ারি পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। এটি কি কেবলই একটি ব্যক্তিগত মতামত, নাকি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিগুলো কি সত্যিই বিলুপ্তির পথে। এখন প্রশ্ন একটাই—কথিত শান্তি চুক্তির সুফল কি তবে সবার দ্বারে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।