শিরোনামঃ
Logo জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব Logo রাঙামাটিতে মাশরুম চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo ১২০ প্রাণহানির সেই ট্র্যাজেডি: নয় বছর পরও রাঙামাটিবাসীর মনে ভয় Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা
৫টি ইউনিয়নে ১২০টি কেন্দ্রে চলবে টিকাদান শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল বহর মাঠে

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন লক্ষ্যমাত্রা ৬৬৫০ শিশু

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে শুরু হয়েছে ব্যাপকভিত্তিক হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) সকাল ১০টায় মহালছড়ি উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পাড়াকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহালছড়ির ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম এলাকার শিশুদের কথা মাথায় রেখে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলার মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মী বাহিনী কার্যক্রম সফল করতে মাঠে কাজ করছেন ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী। তাদের সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছেন আরও ২৪০ জন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ক্যাম্পেইন আজ শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। মোট ১১ দিনের এই কার্যক্রমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সরাসরি কমিউনিটি বা পাড়া পর্যায়ে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গুত্ব ও অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় মহালছড়িতে বৃক্ষরোপণ উৎসব

৫টি ইউনিয়নে ১২০টি কেন্দ্রে চলবে টিকাদান শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল বহর মাঠে

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন লক্ষ্যমাত্রা ৬৬৫০ শিশু

প্রকাশিত: ০৭:১৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে শুরু হয়েছে ব্যাপকভিত্তিক হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) সকাল ১০টায় মহালছড়ি উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পাড়াকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহালছড়ির ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম এলাকার শিশুদের কথা মাথায় রেখে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলার মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মী বাহিনী কার্যক্রম সফল করতে মাঠে কাজ করছেন ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী। তাদের সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছেন আরও ২৪০ জন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ক্যাম্পেইন আজ শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। মোট ১১ দিনের এই কার্যক্রমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সরাসরি কমিউনিটি বা পাড়া পর্যায়ে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গুত্ব ও অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।