শিরোনামঃ
Logo কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি
৫টি ইউনিয়নে ১২০টি কেন্দ্রে চলবে টিকাদান শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল বহর মাঠে

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন লক্ষ্যমাত্রা ৬৬৫০ শিশু

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে শুরু হয়েছে ব্যাপকভিত্তিক হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) সকাল ১০টায় মহালছড়ি উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পাড়াকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহালছড়ির ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম এলাকার শিশুদের কথা মাথায় রেখে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলার মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মী বাহিনী কার্যক্রম সফল করতে মাঠে কাজ করছেন ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী। তাদের সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছেন আরও ২৪০ জন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ক্যাম্পেইন আজ শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। মোট ১১ দিনের এই কার্যক্রমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সরাসরি কমিউনিটি বা পাড়া পর্যায়ে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গুত্ব ও অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য

৫টি ইউনিয়নে ১২০টি কেন্দ্রে চলবে টিকাদান শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ২৪০ জন স্বেচ্ছাসেবীর বিশাল বহর মাঠে

মহালছড়িতে হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের বর্ণাঢ্য উদ্বোধন লক্ষ্যমাত্রা ৬৬৫০ শিশু

প্রকাশিত: ০৭:১৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে শিশুদের প্রাণঘাতী রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে শুরু হয়েছে ব্যাপকভিত্তিক হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন। আজ সোমবার (২০ এপ্রিল, ২০২৬) সকাল ১০টায় মহালছড়ি উপজেলার ১নং সদর ইউনিয়নের যৌথ খামার ত্রিপুরা পাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্বাস্থ্য বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, পাড়াকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মহালছড়ির ৪টি ইউনিয়ন এবং গুইমারার ১টি ইউনিয়নসহ মোট ৫টি ইউনিয়নে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালিত হচ্ছে। দুর্গম এলাকার শিশুদের কথা মাথায় রেখে মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি ১২০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলার মোট ৬ হাজার ৬৫০ জন শিশুকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
কর্মী বাহিনী কার্যক্রম সফল করতে মাঠে কাজ করছেন ১৫ জন প্রশিক্ষিত টিকাদানকর্মী। তাদের সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছেন আরও ২৪০ জন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ক্যাম্পেইন আজ শুরু হয়ে আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। মোট ১১ দিনের এই কার্যক্রমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সরাসরি কমিউনিটি বা পাড়া পর্যায়ে অস্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের টিকা দেওয়া হবে।উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, হাম ও রুবেলা নির্মূলের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পঙ্গুত্ব ও অকাল মৃত্যু থেকে রক্ষা করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব শিশুকে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানানো হয়েছে।