শিরোনামঃ
Logo কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি
পুড়লেও থামছে না পড়ালেখা; প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে ক্লাসে ফিরছে শিক্ষার্থীরা, সরবরাহ করা হয়েছে নতুন আসবাব ও শিক্ষা উপকরণ।

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও হার মানেনি স্বপ্ন কালই খুলছে রামগড়ের কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়

আগুনের লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছিল শ্রেণিকক্ষ আর প্রিয় আসবাব, কিন্তু দমাতে পারেনি শিক্ষার স্পৃহা। খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের সেই কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানেই ফিরছে তার চিরচেনা রূপে। আগামীকাল থেকেই বিদ্যালয়ে শুরু হতে যাচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান ও শ্রেণি কার্যক্রম।

গত ১৮ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যালয়টির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পর অনিশ্চয়তায় পড়েছিল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। তবে সেই অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করেছে রামগড় উপজেলা প্রশাসন। আজ জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন চেয়ার, টেবিল ও বেঞ্চ পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করে পাঠদানের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে কাজ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুধু আসবাবপত্রই নয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেজন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে পাহাড়ের এই জনপদের শিক্ষার্থীরা।

রামগড় উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) সূত্রে জানানো হয়েছে, শিক্ষার উন্নয়ন ও ধারাবাহিকতা রক্ষা করা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অনাকাঙ্ক্ষিত এই দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামীকাল সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা পুনরায় তাদের প্রিয় প্রাঙ্গণে ফিরে আসবে—এমন খবরে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আগুনের ক্ষত কাটিয়ে আবারও মুখরিত হয়ে উঠবে কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কেংড়াছড়ি জোন উচ্চ বিদ্যালয়: রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ের শিক্ষার আলো ছড়াতে নতুন উদ্যোগ, স্থান পরিদর্শনে জেলা পরিষদ সদস্য

পুড়লেও থামছে না পড়ালেখা; প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে ক্লাসে ফিরছে শিক্ষার্থীরা, সরবরাহ করা হয়েছে নতুন আসবাব ও শিক্ষা উপকরণ।

ধ্বংসস্তূপের মাঝেও হার মানেনি স্বপ্ন কালই খুলছে রামগড়ের কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়

প্রকাশিত: ১০:৪২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

আগুনের লেলিহান শিখা কেড়ে নিয়েছিল শ্রেণিকক্ষ আর প্রিয় আসবাব, কিন্তু দমাতে পারেনি শিক্ষার স্পৃহা। খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের সেই কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানেই ফিরছে তার চিরচেনা রূপে। আগামীকাল থেকেই বিদ্যালয়ে শুরু হতে যাচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান ও শ্রেণি কার্যক্রম।

গত ১৮ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিদ্যালয়টির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পর অনিশ্চয়তায় পড়েছিল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। তবে সেই অনিশ্চয়তা কাটিয়ে তুলতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করেছে রামগড় উপজেলা প্রশাসন। আজ জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নতুন চেয়ার, টেবিল ও বেঞ্চ পাঠানো হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করে পাঠদানের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে কাজ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুধু আসবাবপত্রই নয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে কোনোভাবে ব্যাহত না হয়, সেজন্য প্রধান শিক্ষকের নিকট প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণও বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই তড়িৎ পদক্ষেপে ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন করে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছে পাহাড়ের এই জনপদের শিক্ষার্থীরা।

রামগড় উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) সূত্রে জানানো হয়েছে, শিক্ষার উন্নয়ন ও ধারাবাহিকতা রক্ষা করা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। অনাকাঙ্ক্ষিত এই দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার যেন পিছিয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আগামীকাল সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা পুনরায় তাদের প্রিয় প্রাঙ্গণে ফিরে আসবে—এমন খবরে স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। আগুনের ক্ষত কাটিয়ে আবারও মুখরিত হয়ে উঠবে কলাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।