শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার Logo মাটিরাঙ্গায় দুই হোটেলে আশিয়ান অভিযান: পচা-বাসি খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায়ে জরিমানা
ঢলের পানিতে ভাসছে বাঘাইছড়ি, পাহাড়ধস ১০৪ স্পটে; বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার কাছাকাছি।

কাপ্তাই লেকে উপচে পড়া পানি: ৫ ইউনিটে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন, রাঙামাটিতে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ

টানা ভারী বর্ষণ আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত। কমেনি বাঘাইছড়ি উপজেলার মানুষের দুর্ভোগ। পাহাড় ধস আর বন্যার জোড়া আঘাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানিবন্দী হয়ে আছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, গত ৬ দিনে জেলায় ১০৪টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বিপন্ন মানুষদের জন্য খোলা হয়েছে ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে এই মহাবিপর্যয়ের মাঝেই কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আসছে ভিন্ন খবর। লেকের পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সচল করা হয়েছে কেন্দ্রের সবগুলো ইউনিট। দীর্ঘ বিরতির পর গত ৭ জুলাই থেকে একযোগে চালু রয়েছে ৫টি ইউনিট।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৫টি ইউনিট থেকে মোট ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। যার বিস্তারিত চিত্রটি দেখে নেওয়া যাক—ইউনিট নম্বর বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন
১ ও ২ নম্বর ইউনিট ৮৪ মেগাওয়াট (প্রতিটিতে ৪২ করে)
৩ নম্বর ইউনিট ৩৫ মেগাওয়াট ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট ৬০ মেগাওয়াট (প্রতিটিতে ৩০ করে) মোট উৎপাদন ১৭৯ মেগাওয়াট (সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট)।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রুলকার্ভ বা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী এই সময়ে লেকে পানি থাকার কথা ছিল ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট মিন সি লেভেল। কিন্তু বর্তমানে পানির উচ্চতা ৯০ দশমিক ৩১ ফুট ছাড়িয়ে গেছে। উল্লেখ্য, এই লেকের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৮ ফুট।

প্রকৃতির এই রুদ্ররূপে কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি একদিকে যেমন রাঙামাটিবাসীর জন্য বন্যা ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে দেশের জ্বালানি সংকটের এই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এনেছে বড় স্বস্তি।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক

ঢলের পানিতে ভাসছে বাঘাইছড়ি, পাহাড়ধস ১০৪ স্পটে; বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার কাছাকাছি।

কাপ্তাই লেকে উপচে পড়া পানি: ৫ ইউনিটে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন, রাঙামাটিতে দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ

প্রকাশিত: ০২:৫২:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

টানা ভারী বর্ষণ আর ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত। কমেনি বাঘাইছড়ি উপজেলার মানুষের দুর্ভোগ। পাহাড় ধস আর বন্যার জোড়া আঘাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনো পানিবন্দী হয়ে আছেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, গত ৬ দিনে জেলায় ১০৪টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বিপন্ন মানুষদের জন্য খোলা হয়েছে ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্র, যেখানে বর্তমানে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে এই মহাবিপর্যয়ের মাঝেই কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে আসছে ভিন্ন খবর। লেকের পানির উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় সচল করা হয়েছে কেন্দ্রের সবগুলো ইউনিট। দীর্ঘ বিরতির পর গত ৭ জুলাই থেকে একযোগে চালু রয়েছে ৫টি ইউনিট।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ৫টি ইউনিট থেকে মোট ১৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে। যার বিস্তারিত চিত্রটি দেখে নেওয়া যাক—ইউনিট নম্বর বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন
১ ও ২ নম্বর ইউনিট ৮৪ মেগাওয়াট (প্রতিটিতে ৪২ করে)
৩ নম্বর ইউনিট ৩৫ মেগাওয়াট ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট ৬০ মেগাওয়াট (প্রতিটিতে ৩০ করে) মোট উৎপাদন ১৭৯ মেগাওয়াট (সক্ষমতা ২৪০ মেগাওয়াট)।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, রুলকার্ভ বা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী এই সময়ে লেকে পানি থাকার কথা ছিল ৮৫ দশমিক ৪৪ ফুট মিন সি লেভেল। কিন্তু বর্তমানে পানির উচ্চতা ৯০ দশমিক ৩১ ফুট ছাড়িয়ে গেছে। উল্লেখ্য, এই লেকের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৮ ফুট।

প্রকৃতির এই রুদ্ররূপে কাপ্তাই লেকের পানি বৃদ্ধি একদিকে যেমন রাঙামাটিবাসীর জন্য বন্যা ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, অন্যদিকে দেশের জ্বালানি সংকটের এই সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এনেছে বড় স্বস্তি।