শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার Logo মাটিরাঙ্গায় দুই হোটেলে আশিয়ান অভিযান: পচা-বাসি খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায়ে জরিমানা
টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বেহাল দশা; জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল, থমকে গেছে পর্যটকবাহী জিপ ও চাঁদের গাড়ি।

ধসে পড়েছে পাহাড়, খানাখন্দে ভরা সাজেক সড়ক: ঝুঁকিতে পর্যটন, বন্ধ চার চাকার গাড়ি

পাহাড়ি ও মেঘের মিতালি দেখতে যেখানে প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের ঢল নামে, সেই স্বপ্নের সাজেক ভ্যালি এখন যেন এক ভোগান্তির নাম। গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ধস এবং খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি এখন চার চাকার গাড়ি চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যার ফলে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অন্যতম প্রধান এই পর্যটন কেন্দ্রটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় ধসে মাটি রাস্তার ওপর চলে এসেছে। কোথাও কোথাও পিচ ঢালাই রাস্তা ভেঙে ধাবড়ে গেছে নিচের দিকে। এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেও কিছু স্থানীয় বাসিন্দা এবং অতি-উৎসাহী পর্যটক জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে যাতায়াত করছেন। চাকার সামান্য পিছলানো কিংবা নিয়ন্ত্রণ হারানো মানেই শত ফুট গভীর খাদে পড়ে যাওয়া।

সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে পর্যটকবাহী জিপ, মাইক্রোবাস ও ঐতিহ্যবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বাঘাইহাট এবং দীঘিনালা এলাকায় আটকা পড়েছেন শত শত পর্যটক। অনেকেই সাজেক ভ্রমণ বাতিল করে ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ভাড়ায় চালিত জিপ চালক সমিতির এক সদস্য জানান: রাস্তার যে অবস্থা, তাতে গাড়ি নামানো মানেই বড় দুর্ঘটনাকে ডেকে আনা। চাকা গর্তে আটকে যাচ্ছে, কোথাও রাস্তা দেবে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে আগে।

সাজেকে পর্যটক পৌঁছাতে না পারায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন রিসোর্ট, কটেজ এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। বুকিং বাতিল হচ্ছে গণহারে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টি থামলে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে দ্রুত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তবে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের দাবি, জোড়াতালির সংস্কার না করে পাহাড়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার করা হোক।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক

টানা বর্ষণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বেহাল দশা; জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটরসাইকেল, থমকে গেছে পর্যটকবাহী জিপ ও চাঁদের গাড়ি।

ধসে পড়েছে পাহাড়, খানাখন্দে ভরা সাজেক সড়ক: ঝুঁকিতে পর্যটন, বন্ধ চার চাকার গাড়ি

প্রকাশিত: ০৬:৪৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

পাহাড়ি ও মেঘের মিতালি দেখতে যেখানে প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের ঢল নামে, সেই স্বপ্নের সাজেক ভ্যালি এখন যেন এক ভোগান্তির নাম। গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়ি-সাজেক সড়কের বিভিন্ন অংশে ভয়াবহ ধস এবং খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি এখন চার চাকার গাড়ি চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যার ফলে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের অন্যতম প্রধান এই পর্যটন কেন্দ্রটি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে পাহাড় ধসে মাটি রাস্তার ওপর চলে এসেছে। কোথাও কোথাও পিচ ঢালাই রাস্তা ভেঙে ধাবড়ে গেছে নিচের দিকে। এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেও কিছু স্থানীয় বাসিন্দা এবং অতি-উৎসাহী পর্যটক জীবনের চরম ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেলে যাতায়াত করছেন। চাকার সামান্য পিছলানো কিংবা নিয়ন্ত্রণ হারানো মানেই শত ফুট গভীর খাদে পড়ে যাওয়া।

সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে পর্যটকবাহী জিপ, মাইক্রোবাস ও ঐতিহ্যবাহী ‘চাঁদের গাড়ি’ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বাঘাইহাট এবং দীঘিনালা এলাকায় আটকা পড়েছেন শত শত পর্যটক। অনেকেই সাজেক ভ্রমণ বাতিল করে ক্ষোভ ও হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ভাড়ায় চালিত জিপ চালক সমিতির এক সদস্য জানান: রাস্তার যে অবস্থা, তাতে গাড়ি নামানো মানেই বড় দুর্ঘটনাকে ডেকে আনা। চাকা গর্তে আটকে যাচ্ছে, কোথাও রাস্তা দেবে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে আগে।

সাজেকে পর্যটক পৌঁছাতে না পারায় চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন রিসোর্ট, কটেজ এবং রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। বুকিং বাতিল হচ্ছে গণহারে।

স্থানীয় প্রশাসন ও সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টি থামলে এবং পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে দ্রুত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হবে। তবে সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের দাবি, জোড়াতালির সংস্কার না করে পাহাড়ের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির স্থায়ী ও টেকসই সংস্কার করা হোক।