শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ের কৃতি সন্তান সাদমানের জিপিএ-৫ অর্জন: বুয়েটে পড়ে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন ‎ Logo রাঙামাটিতে ইউএনডিপি ও জেলা পরিষদের যৌথ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‎‘ম্যাডাম’ না ডাকলে মেলে না চিকিৎসা! গুইমারা ইসলামিক মিশন কর্মকর্তার অপসারণের দাবিতে উত্তাল এলাকাবাসী Logo কাপ্তাইয়ে ট্রাকের ধাক্কায় তিন দিন ধরে বিদ্যুৎহীন শিলছড়ি বালুচর; মেরামতে চলছে ক্ষতিপূরণের দেনদরবার Logo ভয়াবহ আগুনে পুড়ল রাঙ্গামাটির কসমস রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক হোটেল ‎ Logo মানিকছড়িতে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্ত ও পুনঃস্থাপনের দাবিতে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন Logo মেয়ের বিয়ের স্বপ্ন পুড়ে ছাই: অসহায় সুমের আলীর পাশে মহালছড়ি সেনা জোন ‎ Logo জলবায়ু পরিবর্তনে বদলে যাওয়া জনজীবন: অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রধানের জোর Logo লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ: ৩ দিনের মধ্যে অ্যাকশনের আল্টিমেটাম ‎ Logo রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান: ২০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ৭
প্রবাসে বসেই মিছিলে নেতৃত্ব কুমিল্লার সেই ভাইরাল মামলার নেপথ্যে যা বলছে পুলিশ ও পরিবার

প্রবাসে থেকেও কুমিল্লায় ছাত্রলীগ মিছিলের আসামি তদন্তেই কি মিলবে পুলিশের ভুল

সৌদি আরব ও কাতারে থাকা যুবকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়
কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে হওয়া একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা পুলিশি মামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন তিন যুবককেও সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আসামি করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার সকালে। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ইউসুফপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও দেখে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন দেবিদ্বার থানার এসআই অপু বড়ুয়া।
কিন্তু বিপত্তি বাধে মামলার এজাহার প্রকাশের পর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার ৬ নম্বর আসামি ইকবাল হোসেন রুবেল দীর্ঘদিন ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। ৭ নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম এবং ৯ নম্বর আসামি শাওন রয়েছেন সৌদি আরবে।

কাতারে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ইকবাল হোসেন রুবেল দাবি করেছেন, যাচাই-বাছাই না করেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অন্যদিকে সাইদুল ও শাওনের পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন যে তাদের ছেলেরা বহু আগেই দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। ফেসবুক ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, পুলিশ যে ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্তের দাবি করেছে, তাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। অথচ মামলায় আসামির তালিকা বেশ দীর্ঘ। এছাড়া মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের পরিবারও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছে।এমন পরিস্থিতিতে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর দ্রুত মামলা নিতে হওয়ায় আসামিরা বিদেশে আছেন কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে যেখানে নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কথা, সেখানে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের মামলার আসামি করার ঘটনা পুলিশি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ের কৃতি সন্তান সাদমানের জিপিএ-৫ অর্জন: বুয়েটে পড়ে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন ‎

প্রবাসে বসেই মিছিলে নেতৃত্ব কুমিল্লার সেই ভাইরাল মামলার নেপথ্যে যা বলছে পুলিশ ও পরিবার

প্রবাসে থেকেও কুমিল্লায় ছাত্রলীগ মিছিলের আসামি তদন্তেই কি মিলবে পুলিশের ভুল

প্রকাশিত: ০৪:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরব ও কাতারে থাকা যুবকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়
কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে হওয়া একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা পুলিশি মামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন তিন যুবককেও সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আসামি করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার সকালে। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ইউসুফপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও দেখে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন দেবিদ্বার থানার এসআই অপু বড়ুয়া।
কিন্তু বিপত্তি বাধে মামলার এজাহার প্রকাশের পর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার ৬ নম্বর আসামি ইকবাল হোসেন রুবেল দীর্ঘদিন ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। ৭ নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম এবং ৯ নম্বর আসামি শাওন রয়েছেন সৌদি আরবে।

কাতারে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ইকবাল হোসেন রুবেল দাবি করেছেন, যাচাই-বাছাই না করেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অন্যদিকে সাইদুল ও শাওনের পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন যে তাদের ছেলেরা বহু আগেই দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। ফেসবুক ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, পুলিশ যে ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্তের দাবি করেছে, তাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। অথচ মামলায় আসামির তালিকা বেশ দীর্ঘ। এছাড়া মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের পরিবারও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছে।এমন পরিস্থিতিতে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর দ্রুত মামলা নিতে হওয়ায় আসামিরা বিদেশে আছেন কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে যেখানে নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কথা, সেখানে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের মামলার আসামি করার ঘটনা পুলিশি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।