শিরোনামঃ
Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo বান্দরবানে ৬০ কোটি টাকার প্রকল্প: দুর্গম পাহাড়ে দূর হচ্ছে দীর্ঘদিনের পানির সংকট ‎ Logo কোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি Logo রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেষ বিদায় পেলেন কাপ্তাইয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান Logo খাগড়াছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেল ৮৬১ রোগী ‎ Logo রাঙামাটি জেলায় কোনো বৈষম্য থাকবে না: চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার ‎ Logo নানিয়ারচর জোনে পাহাড়ি-বাঙালি তরুণদের মোবাইল সার্ভিসিং প্রশিক্ষণ শুরু Logo মহালছড়িতে ২৫ তরুণের মোবাইল রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণ সমাপনী ও সনদ বিতরণ ‎ Logo পাহাড়ে প্রযুক্তির আলো: রাঙামাটি সদর জোনে সেনাবাহিনীর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শুরু ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দেওয়া হবে: পার্বত্য সচিব ‎

রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা নিয়মিত এই সুবিধা লাভ করবেন। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গঠিত বিশেষ সেলের সাম্প্রতিক এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজারটি মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন।
সম্মানী ভাতার আওতায় নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট হারে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজকরা প্রত্যেকে মাসিক ৫,০০০ টাকা করে সম্মানী পান। এছাড়া মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজকরা ৩,০০০ টাকা এবং মসজিদের খাদেমরা ২,০০০ টাকা করে মাসিক সম্মানী পান। সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইএফটি (EFT)-এর মাধ্যমে এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে জমা হয়।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের এই সম্মানী ভাতা প্রদানের জন্য ১,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতায় আসছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী তিন অর্থবছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এই রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬,০১৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩,৯৪৯ জন ধর্মীয়কর্মীকে প্রথম পর্যায়ে এই ভাতার উদ্বোধন করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পার্বত্য চট্টগ্রামে সীমান্ত সড়ক বন্ধের দাবির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের

রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসছে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ০৭:৩৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে দেশের ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার ও গির্জায় কর্মরত দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা নিয়মিত এই সুবিধা লাভ করবেন। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে গঠিত বিশেষ সেলের সাম্প্রতিক এক সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজারটি মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করবেন।
সম্মানী ভাতার আওতায় নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট হারে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকেন। এর মধ্যে মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও গির্জার যাজকরা প্রত্যেকে মাসিক ৫,০০০ টাকা করে সম্মানী পান। এছাড়া মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ ও গির্জার সহকারী যাজকরা ৩,০০০ টাকা এবং মসজিদের খাদেমরা ২,০০০ টাকা করে মাসিক সম্মানী পান। সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ইএফটি (EFT)-এর মাধ্যমে এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে জমা হয়।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দের এই সম্মানী ভাতা প্রদানের জন্য ১,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এই সুবিধার আওতায় আসছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী তিন অর্থবছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে এই রাষ্ট্রীয় ভাতার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬,০১৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ১৩,৯৪৯ জন ধর্মীয়কর্মীকে প্রথম পর্যায়ে এই ভাতার উদ্বোধন করেছিলেন।