ব্যয়ভার বহন নিয়ে শুরু হয় টানাপোড়েন। ট্রাকের চালক ইব্রাহিমের ভাষ্যমতে, প্রথমে বিদ্যুৎ বিভাগের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হলেও, পরবর্তীতে তা কমিয়ে ৮০ হাজার টাকায় নামানো হয়। তবে এই অর্থ পরিশোধ ও সমঝোতা নিয়ে দুপক্ষের দড়িটানাটানিতে দীর্ঘায়িত হচ্ছে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে শিলছড়ি এলাকার ইউপি সদস্য সরোয়ার জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে ট্রাক মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সমিতির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে, তীব্র গরমে টানা তিন দিন ধরে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিলছড়ি বালুচরের সাধারণ মানুষ। জরুরি ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।




















