খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার জালিয়াপাড়ায় অবস্থিত ইসলামিক মিশনের প্রধান কর্মকর্তা মুনমুন সুলতানার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও চরম অসদাচরণের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। সরকারি এই চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন না করায় বয়োজ্যেষ্ঠ ও সাধারণ রোগীদের অপমানিত হয়ে ফিরে যাওয়ার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাও ঘটছে। অবিলম্বে তাঁর সুষ্ঠু তদন্ত ও অপসারণের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল।
প্রধান অভিযোগসমূহ:‘ম্যাডাম’ না ডাকলেই চিকিৎসা অস্বীকার: স্থানীয় লুৎফর রহমান ও রহিমা খাতুন জানান, বয়সে বড় হওয়ায় এবং স্নেহের বশে তাকে ‘মা’ বা ‘আপা’ ডাকার কারণে তাদের সেবা না দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে,গরিব ও অসহায় রোগীদের একটি সরকারি টিকিটের পরিবর্তে একাধিক টিকিট কিনতে বাধ্য করা এবং কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়মিত অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে, ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত গুচ্ছগ্রামের ৩০-৪০ বছরের পুরোনো চলাচলের রাস্তা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া এবং ইতিপূর্বে বাসিন্দাদের কলাবাগান কেটে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে, রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়ে স্থানীয় আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। এছাড়া একই প্রতিষ্ঠানে স্বামী-স্ত্রীর দীর্ঘমেয়াদী অবস্থান ও স্বামীর নিয়মিত অফিস না করার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে জনগণ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মুনমুন সুলতানা জানান, তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কোনো বক্তব্য দেবেন না এবং নিউজ নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা নেই। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুইমara উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিশকাতুল তামান্না জানিয়েছেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি, দ্রুত এই অনিয়মের বিচার ও অভিযুক্তের অপসারণ না করা হলে কঠোর আন্দোলন ও মানববন্ধনের মতো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।




















