নৃশংসতার এক লোমহর্ষক অধ্যায়! রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে চাঞ্চল্যকর হাসিনা বেগম ওরফে সুমি হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্ত মোহাম্মদ মাহিবুর কামাল প্রকাশ মোহিবুল্লাহকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এটি রাঙামাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্বিতীয় মৃত্যুদণ্ডের রায়।
ঘটনাটি ২০২২ সালের ১১ মার্চের। রাঙ্গুনিয়ার দুবাসী বাজারের ভাড়া বাসা থেকে কাপ্তাই নতুন বাজার এলাকায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন হাসিনা বেগম। এর পরদিন অর্থাৎ ১২ মার্চ, চন্দ্রঘোনা-কাপ্তাই ইউনিয়নের একটি পরিত্যক্ত টয়লেট থেকে তার ক্ষতবিক্ষত ও আগুনে পোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে কাপ্তাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত ও পিবিআইয়ের অধিকতর তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অকাট্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি সিনিয়র অ্যাডভোকেট প্রতিম রায় পাম্পু সন্তোষ প্রকাশ করে বলেছেন, এই রায়ের মাধ্যমে সমাজে পরিষ্কার বার্তা গেল—অপরাধ করে কেউ পার পায় না। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
আইনের চোখে অপরাধী যতই ধূর্ত হোক, সত্যের জয় যে অবধারিত—এই রায় তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।




















