শিরোনামঃ
Logo সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক Logo ৫৮ বছরেও সংস্কার হয়নি কাপ্তাইয়ের বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদ, দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo সাজেকে ইউপিডিএফের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের Logo চট্টগ্রামে ধারালো অস্ত্রসহ ধরা পড়ল ছিনতাইকারী ‘চেগা রাসেল’ ও তার সহযোগীরা Logo পাহাড়ে সম্প্রীতির বার্তা: মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ পেলো সাড়ে ৭ শতাধিক মানুষ Logo কর্ণফুলীতে প্রতিমা বিসর্জন: আনন্দ ও চোখের জলে কাপ্তাইয়ে দুর্গোৎসবের সাঙ্গ Logo বিভাজনের বরফ গলিয়ে দেবিদ্বারে বিএনপির যৌথ পূজা পরিদর্শন: ঐক্যের সুবাতাস Logo সড়ক ও নৌপথে জীবন বাঁচাতে নামল ‘নিরাপদ যাত্রা’: রাঙামাটিতে সচেতনতার বার্তা Logo শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান, মাদক ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৫ Logo পূজার বিরতি শেষে কাল থেকে আবারো সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ

কাপ্তাইয়ে ১০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক অনুপস্থিতির অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক না পাওয়ার অভিযোগে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৯২ সালে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে সম্প্রতি চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
‎
‎অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসক শওকত ও চিকিৎসক কামরুলকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। তাঁরা ছুটিতে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ সময় হাসপাতালের অন্যান্য কক্ষে নার্স ও কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎এদিকে, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরাও তাঁদের সঙ্গে দেখা না করে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমাকে জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক শওকত ও চিকিৎসক কামরুলের বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
‎
‎স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৮ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে হাসপাতালটি জড়িত। তাঁদের মতে, চিকিৎসকদের অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ তদন্ত করে দেখা এবং নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসক না পাওয়ার পরিস্থিতি রোগীদের দুর্ভোগ বাড়াতে পারে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার কথা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎
‎হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
জনপ্রিয় সংবাদ

সাজেকে হামলা ও ভাঙচুর: শনিবারে রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে আধাবেলা সড়ক-নৌপথ অবরোধের ডাক

কাপ্তাইয়ে ১০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসক অনুপস্থিতির অভিযোগ, ভোগান্তিতে রোগীরা

প্রকাশিত: ০২:১৮:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ১০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসক না পাওয়ার অভিযোগে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের চিকিৎসা না পেয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৯৯২ সালে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। তবে সম্প্রতি চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি ও সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
‎
‎অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসক শওকত ও চিকিৎসক কামরুলকে উপস্থিত পাওয়া যায়নি। তাঁরা ছুটিতে ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ সময় হাসপাতালের অন্যান্য কক্ষে নার্স ও কর্মচারীদের উপস্থিতি দেখা গেলেও চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎এদিকে, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিরাও তাঁদের সঙ্গে দেখা না করে ফিরে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি কাপ্তাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুইহ্লা অং মারমাকে জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
‎
‎অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক শওকত ও চিকিৎসক কামরুলের বক্তব্য জানতে তাঁদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
‎
‎স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ১৮ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে হাসপাতালটি জড়িত। তাঁদের মতে, চিকিৎসকদের অনিয়মিত উপস্থিতির অভিযোগ তদন্ত করে দেখা এবং নিয়মিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসক না পাওয়ার পরিস্থিতি রোগীদের দুর্ভোগ বাড়াতে পারে।
‎
‎স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার সঙ্গে একটি গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার কথা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎
‎হাসপাতালটিতে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয়রা।