রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। উপজেলার ১ নম্বর চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উপজেলায় ১৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষ ‘কিন্নরী’তে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করতে আয়োজিত এক প্রেস কনফারেন্সে এসব তথ্য জানানো হয়। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হানুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান ও সহকারী তথ্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে কাপ্তাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিশেষায়িত ট্যাবের মাধ্যমে পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহ করবেন। পরে এসব তথ্য অনলাইন ডেটাবেইজে সংরক্ষণ করা হবে।
বক্তারা আরও জানান, সরকারের এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কর্মসূচির নীতিমালা অনুযায়ী, নারী পরিবারপ্রধানদের ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। তবে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা বিবেচনায় নির্ধারিত প্রথম তিনটি শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানরা ভাতা পাবেন।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে উপকারভোগীদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।




















