শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার Logo মাটিরাঙ্গায় দুই হোটেলে আশিয়ান অভিযান: পচা-বাসি খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের দায়ে জরিমানা Logo সড়ক ও স্বাস্থ্যসেবা চালুর আশ্বাসে লংগদুবাসীর স্বস্তি: বিলাইছড়িতে বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য সহায়তা
ব্যাংক ঋণ নিয়ে গড়া বাগান বারবার আক্রান্ত; পুরোনো মামলা চলমান থাকতেই ফের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ।

গুইমারায় রাতের আঁধারে কৃষকের স্বপ্ন ধ্বংস: ৬০০ চারা গাছ কেটে সাবাড়, আড়াই লাখের ক্ষতি

মাটির বুকে পরম যত্নে বুনেছিলেন স্বপ্নের চারা। ব্যাংক ও বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে দিনরাত এক করে গড়ে তুলেছিলেন এক সবুজ সমারোহ। কিন্তু এক রাতের বর্বরতায় সেই সাজানো বাগান এখন এক মহাশ্মশান! খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৬০০টি আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ গাছের চারা। এতে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. মকিম।

প্রায় ১ একর ক্ষতিগ্রস্ত চারা গাছ: প্রায় ৬০০টি (আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ) প্রায় ২,৫০,০০০ (আড়াই লাখ) টাকা

পুরোনো শত্রুতার জের, বারবার আঘাত ভুক্তভোগী কৃষক মকিমের অভিযোগ, ১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে স্থানীয় বনি আমিন ও চাইহলাও মারমা জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এটিই প্রথম নয়; এর আগেও ২০২৫ সালে উক্ত ভূমি থেকে প্রায় ৫০০টি আম গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল, যা নিয়ে খাগড়াছড়ি আদালতে এখনো মামলা চলছে। বারবার সামাজিক বিচার অমান্য করে এই চক্রটি মকিমের বাগানে হানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী মকিম বলেন, ঋণ নিয়ে বাগানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। রাতারাতি আমার সব শ্রম আর বিনিয়োগ শেষ করে দেওয়া হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধের জের ধরে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ

ব্যাংক ঋণ নিয়ে গড়া বাগান বারবার আক্রান্ত; পুরোনো মামলা চলমান থাকতেই ফের প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ।

গুইমারায় রাতের আঁধারে কৃষকের স্বপ্ন ধ্বংস: ৬০০ চারা গাছ কেটে সাবাড়, আড়াই লাখের ক্ষতি

প্রকাশিত: ০৫:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

মাটির বুকে পরম যত্নে বুনেছিলেন স্বপ্নের চারা। ব্যাংক ও বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে দিনরাত এক করে গড়ে তুলেছিলেন এক সবুজ সমারোহ। কিন্তু এক রাতের বর্বরতায় সেই সাজানো বাগান এখন এক মহাশ্মশান! খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে কেটে ফেলা হয়েছে প্রায় ৬০০টি আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ গাছের চারা। এতে চরম আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক মো. মকিম।

প্রায় ১ একর ক্ষতিগ্রস্ত চারা গাছ: প্রায় ৬০০টি (আম, পেয়ারা, কলা ও মরিচ) প্রায় ২,৫০,০০০ (আড়াই লাখ) টাকা

পুরোনো শত্রুতার জের, বারবার আঘাত ভুক্তভোগী কৃষক মকিমের অভিযোগ, ১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে স্থানীয় বনি আমিন ও চাইহলাও মারমা জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে এটিই প্রথম নয়; এর আগেও ২০২৫ সালে উক্ত ভূমি থেকে প্রায় ৫০০টি আম গাছ কেটে ফেলা হয়েছিল, যা নিয়ে খাগড়াছড়ি আদালতে এখনো মামলা চলছে। বারবার সামাজিক বিচার অমান্য করে এই চক্রটি মকিমের বাগানে হানা দিচ্ছে বলে অভিযোগ।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী মকিম বলেন, ঋণ নিয়ে বাগানটি দাঁড় করিয়েছিলাম। রাতারাতি আমার সব শ্রম আর বিনিয়োগ শেষ করে দেওয়া হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধের জের ধরে এলাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটতে পারে। ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে দ্রুত প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।