শিরোনামঃ
Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক Logo অল্পের জন্য বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেল হাটহাজারী-অক্সিজেন সড়ক, অলৌকিক বেঁচে যাওয়া Logo লংগদুতে চাঁদা তুলতে গিয়ে অস্ত্র ও টাকাসহ আটক জেএসএস ক্যাডার বিজিবিতে হস্তান্তর Logo কাউখালীতে পুলিশের চড়াও অভিযান: জিআর পরোয়ানাভুক্ত ২ আসামি গ্রেপ্তার
ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ

ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ তুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD)-এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী উদ্যোক্তা।

রবিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দা ও নারী উদ্যোক্তা মিতু আক্তার এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিতু আক্তার বলেন, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD) ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা একটি জাতীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত এবং পিকেএসএফ (PKSF)-এর অধীনে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ক্ষুদ্রঋণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি জানান, কাশিমনগর স্ট্যান্ড মোড়ে একটি অটো রাইসমিল স্থাপনের জন্য তাকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখা। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ব্যাংক ও নগদের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করা হয়।

মিতু আক্তারের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তাকে কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার ঢাকা মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান শাখায় অবগত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নেওয়া ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক আল মামুন মোল্লা, হিসাবরক্ষক আবুল বাসারসহ মোট ১২ জন জড়িত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— মানিক মোল্লা, আরিফ হোসেন শেখ, মো. জাকির হোসেন বাবুল, মো. মাসুদ শেখ, রইছ খন্দকার ওরফে রাইহান ইসলাম, হেলাল কাজী, রইছ সিকদার, শফিকুল ইসলাম বাবুল, বি এম নুরুজ্জামান ও কাজিজ ফাতেমা।

তিনি আরও বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে নেওয়া ৬ কোটি টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি এ ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে এ ঘটনায় মাদারীপুরের রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এফআইআর নম্বর ২৬/২৯২, তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী উদ্যোক্তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো

ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ

ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ১০:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ তুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD)-এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী উদ্যোক্তা।

রবিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দা ও নারী উদ্যোক্তা মিতু আক্তার এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিতু আক্তার বলেন, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD) ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা একটি জাতীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত এবং পিকেএসএফ (PKSF)-এর অধীনে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ক্ষুদ্রঋণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি জানান, কাশিমনগর স্ট্যান্ড মোড়ে একটি অটো রাইসমিল স্থাপনের জন্য তাকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখা। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ব্যাংক ও নগদের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করা হয়।

মিতু আক্তারের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তাকে কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার ঢাকা মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান শাখায় অবগত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নেওয়া ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক আল মামুন মোল্লা, হিসাবরক্ষক আবুল বাসারসহ মোট ১২ জন জড়িত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— মানিক মোল্লা, আরিফ হোসেন শেখ, মো. জাকির হোসেন বাবুল, মো. মাসুদ শেখ, রইছ খন্দকার ওরফে রাইহান ইসলাম, হেলাল কাজী, রইছ সিকদার, শফিকুল ইসলাম বাবুল, বি এম নুরুজ্জামান ও কাজিজ ফাতেমা।

তিনি আরও বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে নেওয়া ৬ কোটি টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি এ ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে এ ঘটনায় মাদারীপুরের রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এফআইআর নম্বর ২৬/২৯২, তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী উদ্যোক্তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।