শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ
উৎসবের প্রস্তুতিতে জোন কমান্ডারের মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান; নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার

পাহাড়ে সম্প্রীতির সুবাতাস মহালছড়িতে বৈসাবি উদযাপনে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’র রঙে সাজতে শুরু করেছে পাহাড়। এই উৎসবকে ঘিরে শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে মহালছড়িতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মহালছড়ি সেনা জোন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে মহালছড়ি জোন সদরে আসন্ন বৈসাবি উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আয়োজক কমিটির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ (পিএসসি)জি।

মতবিনিময়কালে জোন কমান্ডার আয়োজক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “বৈসাবি কেবল একটি উৎসব নয়, এটি পাহাড়ের মানুষের ঐক্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। এই উৎসব যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

সভায় জোন কমান্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবং প্রস্তুতিমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে আয়োজক কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আশ্বাস ও বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী সহায়তা ও আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, জোনের এই সহযোগিতা পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকলের মাঝে সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। তারা উৎসব সফল করতে প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বৈসাবি উৎসবের মাধ্যমে বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুক—এই তিন উৎসবের মিলিত রূপ প্রকাশ পায়, যা পার্বত্য জনপদে নতুন বছরের বার্তা নিয়ে আসে। মহালছড়ি জোনের এই পৃষ্ঠপোষকতা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

উৎসবের প্রস্তুতিতে জোন কমান্ডারের মতবিনিময় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান; নিরাপত্তা নিশ্চিতের অঙ্গীকার

পাহাড়ে সম্প্রীতির সুবাতাস মহালছড়িতে বৈসাবি উদযাপনে পাশে দাঁড়ালো সেনাবাহিনী

প্রকাশিত: ১২:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’র রঙে সাজতে শুরু করেছে পাহাড়। এই উৎসবকে ঘিরে শান্তি, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে মহালছড়িতে এক বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে মহালছড়ি সেনা জোন।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে মহালছড়ি জোন সদরে আসন্ন বৈসাবি উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আয়োজক কমিটির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মহালছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আল-জাবির আসিফ (পিএসসি)জি।

মতবিনিময়কালে জোন কমান্ডার আয়োজক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উৎসবের খুঁটিনাটি বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “বৈসাবি কেবল একটি উৎসব নয়, এটি পাহাড়ের মানুষের ঐক্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন। এই উৎসব যেন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে উদযাপিত হয়, তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বদা সজাগ রয়েছে।

সভায় জোন কমান্ডার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। উৎসবের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে এবং প্রস্তুতিমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে মহালছড়ি জোনের পক্ষ থেকে আয়োজক কমিটিকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক আশ্বাস ও বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

সেনাবাহিনীর এই সময়োপযোগী সহায়তা ও আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন উৎসব উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, জোনের এই সহযোগিতা পাহাড়ি-বাঙালি নির্বিশেষে সকলের মাঝে সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। তারা উৎসব সফল করতে প্রশাসনের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, বৈসাবি উৎসবের মাধ্যমে বিজু, সাংগ্রাই ও বৈসুক—এই তিন উৎসবের মিলিত রূপ প্রকাশ পায়, যা পার্বত্য জনপদে নতুন বছরের বার্তা নিয়ে আসে। মহালছড়ি জোনের এই পৃষ্ঠপোষকতা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।