শিরোনামঃ
Logo পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত Logo রাঙামাটি বায়তুশ শরফ মাদ্রাসায় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উদযাপিত: নতুন প্রজন্মকে বৈষম্যহীন দেশ গড়ার আহ্বান Logo সিন্দুকছড়ি জোনে মাসিক মতবিনিময় সভা: সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও অপপ্রচার রোধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান Logo সামরিক বাহিনীর মানবিক হাত: মানিকছড়ির পাহাড় ঘেঁষা দুর্গম জনপদে আশার আলো Logo মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘আশিকা’: খাদ্য, শিক্ষা ও আশ্রয়ণ উপকরণ পেয়ে মুখে হাসির ঝিলিক Logo মহালছড়িতে ৩৫০ কৃষকের ঘরে আশার আলো: বিনামূল্যে মিলল সার ও বীজ Logo সেতু ঝুঁকিতে ফেলে মাটি সাবাড়! হাতেনাতে ধরে জরিমানা আদায় করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত Logo মাটিরাঙ্গা সীমান্তে বিজিবির বড় ধরনের সাফল্য: উদ্ধার বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অস্ত্র, গুলি ও ভারতীয় রুপি Logo আইনি ব্যাখ্যার পর ৯৩% মেধা ও ৭% কোটায় দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের দাবি Logo রাঙামাটিতে মাদকাসক্ত ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, বাবা-মা আটক
প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলার বার্তা: রাঙ্গামাটিতে জেলা পুলিশের মাস্টার ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

প্রকাশিত: ০৪:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।