শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ
প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

প্রতিটি জাতির আত্মপরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে — ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক

উৎসবের নিজস্ব নাম ফেরানোর উদ্যোগ পার্বত্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাল ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’

প্রকাশিত: ০৪:০৬:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সামাজিক উৎসবগুলোর সামষ্টিক নাম ‘বৈসাবি’র পরিবর্তে প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব ঐতিহ্যের নামে (বিজু, সাংগ্রাই, বৈসুক, বিষু, বিহু ইত্যাদি) উদযাপনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সিএইচটি সম্প্রীতি জোট। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কর্তৃক গৃহীত এই পদক্ষেপকে ঐতিহাসিক ও সময়োপযোগী বলে আখ্যা দিয়েছেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জোটের আহ্বায়ক ও বিশিষ্ট নাগরিক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ‘বৈসাবি’ শব্দটি সামষ্টিক পরিচয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় অনেক ছোট জাতিসত্তার নিজস্ব উৎসবের নাম ও সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা ম্লান হয়ে যাচ্ছিল। সরকারের এই সাহসী সিদ্ধান্ত পাহাড়ের প্রতিটি জাতির প্রকৃত ইতিহাস ও আত্মপরিচয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, উৎসবের নিজস্ব নাম কেবল একটি শব্দ নয়, বরং এটি প্রতিটি জাতির অস্তিত্বের প্রতীক। এখন থেকে ম্রো, চাক, তঞ্চঙ্গ্যা, খুমি, বম, লুসাই ও খিয়াংসহ সকল জনগোষ্ঠীর উৎসবগুলো তাদের নিজস্ব নামে আলাদাভাবে পরিচিতি পাবে। এর ফলে পাহাড়ের প্রকৃত সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আরও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং চাক আরও বলেন- একে অপরের সংস্কৃতিকে তার আসল নামে সম্মান জানানোই হলো প্রকৃত সম্প্রীতি। এই সিদ্ধান্ত নতুন প্রজন্মের কাছে পূর্বপুরুষদের রেখে যাওয়া ঐতিহ্যের সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে সহায়ক হবে এবং পাহাড়ে বসবাসরত সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ সুদৃঢ় করবে।

সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের পক্ষ থেকে পাহাড়ের সকল স্তরের মানুষকে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিজ নিজ ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি মেনে আনন্দঘন পরিবেশে আসন্ন নববর্ষের উৎসব উদযাপনের উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে।