শিরোনামঃ
Logo ‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৫০ রোগী Logo কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের ৮ দফা দাবি: রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান Logo মানিকছড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু ‎ Logo মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১১ মাদক কারবারি ও ১ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মদ উদ্ধার ‎

কোতয়ালী থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ৪০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ১২; মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা জেলা পুলিশের।

‎মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জন মাদক কারবারি ও একজন মাদকসেবীসহ মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এবং কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচা করে আসছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—লাভলী চাকমা, খোকন, সুরুঞ্জন চাকমা, মোশন চাকমা, ধন বিকাশ চাকমা, শতক চাকমা, মো. জসিম উদ্দিন, রাশেদ মিয়া, টিস্যু চৌধুরী, মো. জসীম এবং মো. বাপ্পি ইসলাম। এছাড়া মাদক সেবনের অপরাধে মো. উজ্জল নামের অপর এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

কোতয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

‎রাঙামাটি জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র এবং কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি মাদকমুক্ত রাঙামাটি গড়ে তুলতে এ ধরনের নিয়মিত বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ১১ মাদক কারবারি ও ১ মাদকসেবী গ্রেপ্তার, মদ উদ্ধার ‎

প্রকাশিত: ০৯:২৯:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

কোতয়ালী থানা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ৪০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ১২; মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা জেলা পুলিশের।

‎মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে রাঙামাটি জেলা পুলিশ। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জন মাদক কারবারি ও একজন মাদকসেবীসহ মোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪০ লিটার দেশীয় তৈরি চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

বুধবার (২৬ আগস্ট ২০২৬) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এবং কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন পয়েন্টে এই অভিযান পরিচালনা করে।

পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক কেনাবেচা করে আসছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতে এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মাদক ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—লাভলী চাকমা, খোকন, সুরুঞ্জন চাকমা, মোশন চাকমা, ধন বিকাশ চাকমা, শতক চাকমা, মো. জসিম উদ্দিন, রাশেদ মিয়া, টিস্যু চৌধুরী, মো. জসীম এবং মো. বাপ্পি ইসলাম। এছাড়া মাদক সেবনের অপরাধে মো. উজ্জল নামের অপর এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

কোতয়ালী থানা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তীতে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

‎রাঙামাটি জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র এবং কিশোর গ্যাংসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে। সাধারণ মানুষের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি মাদকমুক্ত রাঙামাটি গড়ে তুলতে এ ধরনের নিয়মিত বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।