শিরোনামঃ
Logo ‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo গুইমারায় সেনাসম্প্রীতি: সিন্দুকছড়ি জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৪৫০ রোগী Logo কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের ৮ দফা দাবি: রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকলিপি প্রদান Logo মানিকছড়িতে দাম্পত্য কলহের জের ধরে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু ‎ Logo মানিকছড়িতে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন: ডিজিটাল লেনদেনে নতুন দিগন্ত Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান
মেজর মুশফাকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান; সেনাটহল দেখে পাচারকারীরা পলাতক

জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ কাঠ পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি জোনের একটি বিশেষ অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা আনুমানিক ৯০ লক্ষ টাকা বাজারমূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) জুরাছড়ি জোনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মুশফাক আমিন চৌধুরী, পিএসসি এবং ক্যাপ্টেন মোঃ শাহরিয়ার পারভেজের নেতৃত্বে সেনাসদস্যদের একটি চৌকস টহল দল পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ কাঠের সন্ধান মেলে। পরে সেনাসদস্যরা পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে তল্লাশি চালিয়ে এই বিশাল কাঠের চালান উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তবে সেনাবাহিনীর আকস্মিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত কাঠ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণ ও পাচার দেশের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনীর এই ধরনের চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। একই সাথে দেশের ফুসফুস খ্যাত পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জুরাছড়ি জোন।

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লংগদু স্টুডেন্টস ফোরামের পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ সদস্য তোফাজ্জল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ

মেজর মুশফাকের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান; সেনাটহল দেখে পাচারকারীরা পলাতক

জুরাছড়িতে সেনাবাহিনীর বড় অ্যাকশন: ৯০ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

প্রকাশিত: ০১:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিবেশ ধ্বংসকারী অবৈধ কাঠ পাচার চক্রের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি জোনের একটি বিশেষ অভিযানে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করে রাখা আনুমানিক ৯০ লক্ষ টাকা বাজারমূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) জুরাছড়ি জোনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুরাছড়ি জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ মুশফাক আমিন চৌধুরী, পিএসসি এবং ক্যাপ্টেন মোঃ শাহরিয়ার পারভেজের নেতৃত্বে সেনাসদস্যদের একটি চৌকস টহল দল পাহাড়ি অঞ্চলের নির্দিষ্ট এলাকায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের একপর্যায়ে দুর্গম পাহাড়ের বিভিন্ন স্থানে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা বিপুল পরিমাণ কাঠের সন্ধান মেলে। পরে সেনাসদস্যরা পুরো এলাকাটি কর্ডন (ঘিরে রাখা) করে তল্লাশি চালিয়ে এই বিশাল কাঠের চালান উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

তবে সেনাবাহিনীর আকস্মিক উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্গম পাহাড়ের সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট পাচারকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ফলে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দকৃত কাঠ পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

অবৈধভাবে বনজ সম্পদ আহরণ ও পাচার দেশের পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনীর এই ধরনের চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেনাবাহিনীর এই সফল অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন মহল। একই সাথে দেশের ফুসফুস খ্যাত পার্বত্য অঞ্চলের পরিবেশ রক্ষায় সকলকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জুরাছড়ি জোন।