শিরোনামঃ
Logo মহালছড়ি জোনের মানবিক উদ্যোগ: বাঙ্গালি-অ-বাঙ্গালি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ Logo দেবিদ্বারে ৪ আগস্টের রক্তঝরা দিন: সরকারি তালিকায় নাম ওঠেনি আহত ছাত্রদল নেতা ও সাংবাদিকসহ চারজনের Logo খাগড়াছড়ির গুইমারায় অসুস্থ অ-বাঙ্গালী পাহাড়ি যুবতীর পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী: নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান Logo মহালছড়িতে নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা মাদ্রাসার নতুন ভবন উদ্বোধন: জোনের উদ্যোগে মেডিকেল ক্যাম্প ও ত্রাণ বিতরণ Logo লোহাগাড়ায় আলোচিত মোটরসাইকেল চুরির মামলার পলাতক আসামি শামসুল গ্রেফতার Logo প্রবাসে থেকেও কুমিল্লায় ছাত্রলীগ মিছিলের আসামি তদন্তেই কি মিলবে পুলিশের ভুল Logo রামগড়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটক: থানায় লিখিত অভিযোগ Logo জলবায়ু মোকাবিলায় কাপ্তাইয়ে সেনা উদ্যোগ: শিশু নিকেতনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ Logo রামগড়ে বর্ণিল আয়োজনে ৪৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত Logo পাহাড়ে নতুন আশার আলো: আলীকদম জোনের উদ্যোগে দুর্গম জনপদে চালু হলো চাঁদের গাড়ি ও নৌকা সেবা
প্রবাসে বসেই মিছিলে নেতৃত্ব কুমিল্লার সেই ভাইরাল মামলার নেপথ্যে যা বলছে পুলিশ ও পরিবার

প্রবাসে থেকেও কুমিল্লায় ছাত্রলীগ মিছিলের আসামি তদন্তেই কি মিলবে পুলিশের ভুল

সৌদি আরব ও কাতারে থাকা যুবকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়
কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে হওয়া একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা পুলিশি মামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন তিন যুবককেও সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আসামি করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার সকালে। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ইউসুফপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও দেখে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন দেবিদ্বার থানার এসআই অপু বড়ুয়া।
কিন্তু বিপত্তি বাধে মামলার এজাহার প্রকাশের পর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার ৬ নম্বর আসামি ইকবাল হোসেন রুবেল দীর্ঘদিন ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। ৭ নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম এবং ৯ নম্বর আসামি শাওন রয়েছেন সৌদি আরবে।

কাতারে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ইকবাল হোসেন রুবেল দাবি করেছেন, যাচাই-বাছাই না করেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অন্যদিকে সাইদুল ও শাওনের পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন যে তাদের ছেলেরা বহু আগেই দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। ফেসবুক ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, পুলিশ যে ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্তের দাবি করেছে, তাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। অথচ মামলায় আসামির তালিকা বেশ দীর্ঘ। এছাড়া মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের পরিবারও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছে।এমন পরিস্থিতিতে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর দ্রুত মামলা নিতে হওয়ায় আসামিরা বিদেশে আছেন কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে যেখানে নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কথা, সেখানে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের মামলার আসামি করার ঘটনা পুলিশি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়ি জোনের মানবিক উদ্যোগ: বাঙ্গালি-অ-বাঙ্গালি কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ বিতরণ

প্রবাসে বসেই মিছিলে নেতৃত্ব কুমিল্লার সেই ভাইরাল মামলার নেপথ্যে যা বলছে পুলিশ ও পরিবার

প্রবাসে থেকেও কুমিল্লায় ছাত্রলীগ মিছিলের আসামি তদন্তেই কি মিলবে পুলিশের ভুল

প্রকাশিত: ০৪:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সৌদি আরব ও কাতারে থাকা যুবকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ফেসবুকে সমালোচনার ঝড়
কুমিল্লার দেবিদ্বারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ব্যানারে হওয়া একটি ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা পুলিশি মামলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা। প্রবাসে অবস্থান করছেন এমন তিন যুবককেও সরাসরি মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আসামি করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার সকালে। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ইউসুফপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও দেখে ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করেন দেবিদ্বার থানার এসআই অপু বড়ুয়া।
কিন্তু বিপত্তি বাধে মামলার এজাহার প্রকাশের পর। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মামলার ৬ নম্বর আসামি ইকবাল হোসেন রুবেল দীর্ঘদিন ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। ৭ নম্বর আসামি সাইদুল ইসলাম এবং ৯ নম্বর আসামি শাওন রয়েছেন সৌদি আরবে।

কাতারে বসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে ইকবাল হোসেন রুবেল দাবি করেছেন, যাচাই-বাছাই না করেই পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। অন্যদিকে সাইদুল ও শাওনের পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত করেছেন যে তাদের ছেলেরা বহু আগেই দেশ ছেড়ে প্রবাসে পাড়ি জমিয়েছেন। ফেসবুক ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, পুলিশ যে ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্তের দাবি করেছে, তাতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ১০ থেকে ১২ জন। অথচ মামলায় আসামির তালিকা বেশ দীর্ঘ। এছাড়া মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের পরিবারও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তুলেছে।এমন পরিস্থিতিতে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর দ্রুত মামলা নিতে হওয়ায় আসামিরা বিদেশে আছেন কিনা তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে যেখানে নিখুঁত তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার কথা, সেখানে প্রবাসে থাকা ব্যক্তিদের মামলার আসামি করার ঘটনা পুলিশি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।