শিরোনামঃ
Logo টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭ Logo মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প: চিকিৎসা ও ওষুধ পেলেন দুর্গম এলাকার শতাধিক অ-বাঙালি পাহাড়ি Logo মহালছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ এর যাত্রা শুরু Logo কাপ্তাইয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’: ৫০৩ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়াল উদ্বোধন Logo হারানো ৫০টির বেশি ফোন উদ্ধার করে মালিকদের হাসিমুখ ফিরিয়ে দিল রাঙ্গামাটি পুলিশ Logo কাপ্তাই চা-শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন: প্রথম দিনেই ফরম নিলেন ১ প্রার্থী, চাঞ্চল্য ভোটারদের মাঝে Logo রামগড়ে অস্ত্র ও চাঁদাবাজির রশিদসহ ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী আটক Logo কাপ্তাইয়ে চেকপোস্টে পুলিশের জালে ইয়াবাসহ আটক ১ Logo পানছড়িতে বৈধ ইজারাদারদের তোয়াক্কা না করে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতির শঙ্কা Logo কাপ্তাইয়ে ৫ পিস ইয়াবাসহ চাকমা যুবক আটক, মোটরসাইকেল জব্দ

গুইমারায় এসএসসিতে বিপর্যয়: ৫ প্রতিষ্ঠানের গড় পাসের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরণের বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল এতটাই হতাশাজনক যে, তা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
মোট ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৫৩ জন। গড় পাসের হার মাত্র ৩৪.৬২ শতাংশ এবং পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র দুটি।

ফলাফলের তুলনামূলক চিত্র (একনজরে) গুইমারা উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হলো: শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭ ৩২ ৬৮.০৯%, গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ৫০ ৩১ ৬২.০০%, গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ ৪০ ৪০.৮২%,
সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৪ ১৮ ২৪.৩২%,
হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ ৩২ ১৮.৫০%,
মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান ৪৪২ ১৫৩ ৩৪.৬২%।

হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩২ জন। এখানকার পাসের হার নামমাত্র ১৮.৫০ শতাংশে ঠেকেছে। ৪৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে গোটা উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ৩টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই শীর্ষ এই গ্রেড অর্জন করতে পারেনি।শিক্ষা বিশ্লেষক ও অভিভাবকদের মতে, নিয়মিত পাঠদান সংকট, শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, দুর্বল তদারকি এবং ঝরে পড়ার উচ্চ হার এই ফলাফলের মূল কারণ।

পরীক্ষার পর দায় এড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন—কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে তা চিহ্নিত করা, শিক্ষকদের পাঠদানের মান ও পরিবেশ মূল্যায়ন করা,বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগই কেবল আগামী দিনে গুইমারার এই শিক্ষাক্ষেত্রের বিপর্যয় কাটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানায় যৌথ বাহিনীর অভিযান: গুলিবিনিময়ে সেনাসদস্য শহীদ, জিম্মি থেকে মুক্ত ৫৭

গুইমারায় এসএসসিতে বিপর্যয়: ৫ প্রতিষ্ঠানের গড় পাসের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ

প্রকাশিত: ০২:১৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরণের বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল এতটাই হতাশাজনক যে, তা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
মোট ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৫৩ জন। গড় পাসের হার মাত্র ৩৪.৬২ শতাংশ এবং পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র দুটি।

ফলাফলের তুলনামূলক চিত্র (একনজরে) গুইমারা উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হলো: শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭ ৩২ ৬৮.০৯%, গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ৫০ ৩১ ৬২.০০%, গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ ৪০ ৪০.৮২%,
সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৪ ১৮ ২৪.৩২%,
হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ ৩২ ১৮.৫০%,
মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান ৪৪২ ১৫৩ ৩৪.৬২%।

হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩২ জন। এখানকার পাসের হার নামমাত্র ১৮.৫০ শতাংশে ঠেকেছে। ৪৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে গোটা উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ৩টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই শীর্ষ এই গ্রেড অর্জন করতে পারেনি।শিক্ষা বিশ্লেষক ও অভিভাবকদের মতে, নিয়মিত পাঠদান সংকট, শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, দুর্বল তদারকি এবং ঝরে পড়ার উচ্চ হার এই ফলাফলের মূল কারণ।

পরীক্ষার পর দায় এড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন—কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে তা চিহ্নিত করা, শিক্ষকদের পাঠদানের মান ও পরিবেশ মূল্যায়ন করা,বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগই কেবল আগামী দিনে গুইমারার এই শিক্ষাক্ষেত্রের বিপর্যয় কাটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।