শিরোনামঃ
Logo কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎ Logo বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের জমকালো গণসংবর্ধনা ‎ Logo কাপ্তাইয়ের ৫নং ওয়াগ্গা ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়তে চান প্রবাসী মাইনুল ইসলাম ফাহাদ Logo দীঘিনালা মিনি স্টেডিয়ামে রোববারের প্রীতি ফুটবল ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে দীঘিনালা ও বাঘাইছড়ি একাদশ Logo হিল ভিডিপির উদ্যোগে দীঘিনালায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo কাপ্তাইয়ে বরইছড়ি মুসলিম সমাজের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার ‎ Logo রাঙামাটিতে ১৩তম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ‎ Logo পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও টেকসই উন্নয়নে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান—কোটা বিরোধী ঐক্যজোটের আলোচনা সভা Logo মহালছড়িতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্টের ফুড প্যাকেজ বিতরণ

গুইমারায় এসএসসিতে বিপর্যয়: ৫ প্রতিষ্ঠানের গড় পাসের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরণের বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল এতটাই হতাশাজনক যে, তা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
মোট ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৫৩ জন। গড় পাসের হার মাত্র ৩৪.৬২ শতাংশ এবং পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র দুটি।

ফলাফলের তুলনামূলক চিত্র (একনজরে) গুইমারা উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হলো: শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭ ৩২ ৬৮.০৯%, গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ৫০ ৩১ ৬২.০০%, গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ ৪০ ৪০.৮২%,
সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৪ ১৮ ২৪.৩২%,
হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ ৩২ ১৮.৫০%,
মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান ৪৪২ ১৫৩ ৩৪.৬২%।

হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩২ জন। এখানকার পাসের হার নামমাত্র ১৮.৫০ শতাংশে ঠেকেছে। ৪৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে গোটা উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ৩টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই শীর্ষ এই গ্রেড অর্জন করতে পারেনি।শিক্ষা বিশ্লেষক ও অভিভাবকদের মতে, নিয়মিত পাঠদান সংকট, শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, দুর্বল তদারকি এবং ঝরে পড়ার উচ্চ হার এই ফলাফলের মূল কারণ।

পরীক্ষার পর দায় এড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন—কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে তা চিহ্নিত করা, শিক্ষকদের পাঠদানের মান ও পরিবেশ মূল্যায়ন করা,বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগই কেবল আগামী দিনে গুইমারার এই শিক্ষাক্ষেত্রের বিপর্যয় কাটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাইয়ে উজাড় হচ্ছে সবুজ পাহাড়: ‘রক্ষকই ভক্ষক’ প্রশ্ন তুলছে সচেতন মহল ‎

গুইমারায় এসএসসিতে বিপর্যয়: ৫ প্রতিষ্ঠানের গড় পাসের হার মাত্র ৩৪ শতাংশ

প্রকাশিত: ০২:১৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এক বড় ধরণের বিপর্যয়ের চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ফলাফল এতটাই হতাশাজনক যে, তা স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।
মোট ৪৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র ১৫৩ জন। গড় পাসের হার মাত্র ৩৪.৬২ শতাংশ এবং পুরো উপজেলায় জিপিএ-৫ এসেছে মাত্র দুটি।

ফলাফলের তুলনামূলক চিত্র (একনজরে) গুইমারা উপজেলার ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হলো: শহীদ লে. মুশফিক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৭ ৩২ ৬৮.০৯%, গুইমারা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা ৫০ ৩১ ৬২.০০%, গুইমারা সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ ৪০ ৪০.৮২%,
সিন্দুকছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় ৭৪ ১৮ ২৪.৩২%,
হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ ৩২ ১৮.৫০%,
মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান ৪৪২ ১৫৩ ৩৪.৬২%।

হাফছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৭৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে মাত্র ৩২ জন। এখানকার পাসের হার নামমাত্র ১৮.৫০ শতাংশে ঠেকেছে। ৪৪২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে গোটা উপজেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী। এছাড়া ৩টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই শীর্ষ এই গ্রেড অর্জন করতে পারেনি।শিক্ষা বিশ্লেষক ও অভিভাবকদের মতে, নিয়মিত পাঠদান সংকট, শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, দুর্বল তদারকি এবং ঝরে পড়ার উচ্চ হার এই ফলাফলের মূল কারণ।

পরীক্ষার পর দায় এড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সময়। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন—কোন কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে তা চিহ্নিত করা, শিক্ষকদের পাঠদানের মান ও পরিবেশ মূল্যায়ন করা,বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করা।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগই কেবল আগামী দিনে গুইমারার এই শিক্ষাক্ষেত্রের বিপর্যয় কাটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।