শিরোনামঃ
Logo মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত Logo বিজ্ঞানের জয়গান মানিকছড়িতে: শিক্ষার্থীদের চমকপ্রদ উদ্ভাবনী মেলা Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রামগড়: ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মুখে হাসল ‘ত্রাণের চাল’ Logo ২ মাস ধরে ইউএনওহীন মহালছড়ি: অভিভাবকহীন উপজেলায় স্থবিরতা, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ Logo দীপেন দেওয়ানকে মন্ত্রী পদে ফেরানোর দাবিতে উত্তাল খাগড়াছড়ি: কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি Logo আর্থিক অসুবিধায় থাকা কৃষকের পাশে ছাত্রদল, ধান কেটে ঘরে তুলে দিলেন নেতাকর্মীরা Logo রাস্তার ওপরই রাখা হচ্ছে শত শত কেরেট; ট্রাফিক আইন তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও দূরপাল্লার চালকেরা। Logo ৩ মাসের মাথায় পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, মন্ত্রণালয়ে হস্তক্ষেপ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে উত্তাল পরিস্থিতি Logo আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে গোপন আঁতাত ও চাঁদাবাজি, উত্তপ্ত রাঙ্গামাটি বিএনপি
অলিম্পিক জয়ের স্বপ্নসারথি: বাংলাদেশের জিমন্যাস্টিকসের নতুন 'বাতিঘর' কোয়ান্টাম

লামার পাহাড় থেকে বিশ্বজয়ের হুঙ্কার; ১২ বছরে ৫৫৬ পদক জিতে ইতিহাস গড়ল কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টরা

বান্দরবানের লামার গহীন পাহাড়ে এক সময় যা ছিল নিছক কল্পনা, আজ তা-ই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল বাস্তবতা। ২০১৩ থেকে ২০২৫—মাত্র এক যুগে দেশের জিমন্যাস্টিকসের মানচিত্র বদলে দিয়েছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ।

অলিম্পিকে সোনা আমরা জিতবই—এই লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া যাত্রাটি এখন শুধু স্বপ্ন নয়, বরং এক অপরাজেয় সফলতার গল্প। পরিসংখ্যান যখন সাফল্যের কথা বলে
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোয়ান্টামের আধিপত্য এখন নিরঙ্কুশ। গত ১২ বছরে তাদের অর্জনের ঝুলি যেন

এক স্বর্ণখনি: প্রতিযোগিতা | স্বর্ণ | রৌপ্য | ব্রোঞ্জ | মোট পদক জাতীয় পর্যায় | ২১৮ | ১৮৯ | ১৪৯ | ৫৫৬ |
| আন্তর্জাতিক পর্যায় | ১২ | ০৯ | ১৩ | ৩৪ |
জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ বর্তমানে জাতীয় দলের হাইপারফরমেন্স ক্যাম্পে থাকা ১০ জন জিমন্যাস্টের মধ্যে ৯ জনই কোয়ান্টামের। এটি প্রমাণ করে যে, দেশের জিমন্যাস্টিকসের পাইপলাইন এখন এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় যুব জিমন্যাস্টিকসে ৮৪টি পদকের মধ্যে ৫৩টিই জিতে নিয়ে তারা প্রমাণ করেছে কেন তারা অনন্য।

বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ২০তম জিমন্যাস্টিকস ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রাপ্ত ১৩টি পদকের ১০টিই এসেছে এই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। জুনিয়র দলগত বিভাগে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক জয়ের ইতিহাসও লিখেছে কোয়ান্টামের অ্যাথলেটরা। এর আগে সেন্ট্রাল সাউথ এশিয়ান ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও তাদের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের কোচিংই কোয়ান্টামকে আজ দেশের প্রধান শক্তিতে পরিণত করেছে। অলিম্পিক পদকের যে আক্ষেপ বাংলাদেশের রয়েছে, তা ঘোচানোর সামর্থ্য রাখে এই তরুণেরা। — ক্রীড়া বিশ্লেষকগণ

অলিম্পিক পডিয়াম ২০২৩-এর যুব গেমস থেকে শুরু করে ২০২৫-এর সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ—সবখানেই কোয়ান্টামের জয়জয়কার। শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, সঠিক সুযোগ পেলে পাহাড়ের এই সন্তানরাই একদিন অলিম্পিকের পডিয়ামে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত

অলিম্পিক জয়ের স্বপ্নসারথি: বাংলাদেশের জিমন্যাস্টিকসের নতুন 'বাতিঘর' কোয়ান্টাম

লামার পাহাড় থেকে বিশ্বজয়ের হুঙ্কার; ১২ বছরে ৫৫৬ পদক জিতে ইতিহাস গড়ল কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টরা

প্রকাশিত: ০৯:১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বান্দরবানের লামার গহীন পাহাড়ে এক সময় যা ছিল নিছক কল্পনা, আজ তা-ই দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল বাস্তবতা। ২০১৩ থেকে ২০২৫—মাত্র এক যুগে দেশের জিমন্যাস্টিকসের মানচিত্র বদলে দিয়েছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ।

অলিম্পিকে সোনা আমরা জিতবই—এই লক্ষ্য নিয়ে শুরু হওয়া যাত্রাটি এখন শুধু স্বপ্ন নয়, বরং এক অপরাজেয় সফলতার গল্প। পরিসংখ্যান যখন সাফল্যের কথা বলে
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোয়ান্টামের আধিপত্য এখন নিরঙ্কুশ। গত ১২ বছরে তাদের অর্জনের ঝুলি যেন

এক স্বর্ণখনি: প্রতিযোগিতা | স্বর্ণ | রৌপ্য | ব্রোঞ্জ | মোট পদক জাতীয় পর্যায় | ২১৮ | ১৮৯ | ১৪৯ | ৫৫৬ |
| আন্তর্জাতিক পর্যায় | ১২ | ০৯ | ১৩ | ৩৪ |
জাতীয় দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ বর্তমানে জাতীয় দলের হাইপারফরমেন্স ক্যাম্পে থাকা ১০ জন জিমন্যাস্টের মধ্যে ৯ জনই কোয়ান্টামের। এটি প্রমাণ করে যে, দেশের জিমন্যাস্টিকসের পাইপলাইন এখন এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৫ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় যুব জিমন্যাস্টিকসে ৮৪টি পদকের মধ্যে ৫৩টিই জিতে নিয়ে তারা প্রমাণ করেছে কেন তারা অনন্য।

বিশ্বমঞ্চে লাল-সবুজের পতাকা ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ২০তম জিমন্যাস্টিকস ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রাপ্ত ১৩টি পদকের ১০টিই এসেছে এই প্রতিষ্ঠানের হাত ধরে। জুনিয়র দলগত বিভাগে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক স্বর্ণপদক জয়ের ইতিহাসও লিখেছে কোয়ান্টামের অ্যাথলেটরা। এর আগে সেন্ট্রাল সাউথ এশিয়ান ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপেও তাদের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো।

পরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের কোচিংই কোয়ান্টামকে আজ দেশের প্রধান শক্তিতে পরিণত করেছে। অলিম্পিক পদকের যে আক্ষেপ বাংলাদেশের রয়েছে, তা ঘোচানোর সামর্থ্য রাখে এই তরুণেরা। — ক্রীড়া বিশ্লেষকগণ

অলিম্পিক পডিয়াম ২০২৩-এর যুব গেমস থেকে শুরু করে ২০২৫-এর সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ—সবখানেই কোয়ান্টামের জয়জয়কার। শৃঙ্খলা, আত্মবিশ্বাস আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা বুঝিয়ে দিয়েছে, সঠিক সুযোগ পেলে পাহাড়ের এই সন্তানরাই একদিন অলিম্পিকের পডিয়ামে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত বাজাবে।